বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > পরকীয়ার শাস্তি, ধূপগুড়িতে যুগলকে বেঁধে বেধড়ক পেটাল গ্রামবাসীরা
যুগলকে গাছে বেঁধে মারধরের অভিযোগ (প্রতীকী ছবি)
যুগলকে গাছে বেঁধে মারধরের অভিযোগ (প্রতীকী ছবি)

পরকীয়ার শাস্তি, ধূপগুড়িতে যুগলকে বেঁধে বেধড়ক পেটাল গ্রামবাসীরা

  • স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর কয়েক ধরেই তাঁদের দুজনের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। তবে দিন কয়েক আগেই বিষয়টি জানাজানি হয়। ওই মহিলার বাডিতেও যেতেন যুবকটি।

পরকীয়ার শাস্তি। আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন বাসিন্দারাই। কোথাও গ্রামে ঘোরানো হচ্ছে বধূকে। কোথাও আবার তাঁর উপর চড়াও হচ্ছেন বাসিন্দারা। সম্প্রতি ঘাটাল, আলিপুরদুয়ারের এই ঘটনা প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছিল গোটা সমাজকে। এবার সেই একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। এবার একেবারে পরকীয়া সম্পর্কের শাস্তি দিতে স্ত্রী ও পুরুষ দুজনকেই গাছে বেঁধে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর কয়েক ধরেই তাঁদের দুজনের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। তবে দিন কয়েক আগেই বিষয়টি জানাজানি হয়। ওই মহিলার বাডিতেও যেতেন যুবকটি।মঙ্গলবারও তিনি ওই মহিলার বাড়িতে যান। এরপরই তাকে ধরে ফেলেন বাসিন্দারা। শুরু হয় মারধর। অভিযোগ উঠেছে যুবক ও মহিলাকে বাঁশের সঙ্গে বেঁধে ফেলে বাসিন্দারা। এরপর চলে মারধর। এদিকে গোটা ঘটনায় মোবাইলবন্দি করেন কয়েকজন। সেটা সোশ্য়াল মিডিয়াতে ভাইরালও করা হয়। গোটা ঘটনায় অত্যন্ত ভেঙে পড়েছেন দুজনেই। ধূপগুড়ি থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর ওই মহিলার বছর পাঁচেকের একটি সন্তান রয়েছে। অন্য়দিকে যুবকেরও দুটি সন্তান রয়েছে। তার বাড়ি ধূপগুড়ির নীলাঞ্জন পাঠ এলাকায়। তবে এইভাবে আইন নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা কতটা আইনসঙ্গত তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে মধ্যযুগীয় বর্বরতার এই ঘটনাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

 

বন্ধ করুন