বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বোমা তৈরির কারখানা ও চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আদায়, অভিযোগ নিশীথের বিরুদ্ধে
নিশীথ প্রামাণিক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (নিজস্ব চিত্র )
নিশীথ প্রামাণিক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (নিজস্ব চিত্র )

বোমা তৈরির কারখানা ও চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আদায়, অভিযোগ নিশীথের বিরুদ্ধে

  • অসম থেকে দুষ্কৃতীদের নিয়ে এসে বোমা তৈরি করাতেন নিশীথ প্রামানিক।

এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠল। বোমা তৈরির কারখানা এবং চাকরির নামে টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠল নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে। বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার নেতা গোসানিমারি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা ফিরদৌস ইসলাম নামে এক যুবক মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ঠিক কী অভিযোগ করা হয়েছে?‌ তার অভিযোগ, অসম থেকে দুষ্কৃতীদের নিয়ে এসে বোমা তৈরি করাতেন নিশীথ প্রামানিক। সেই বোমাগুলি রাখার দায়িত্ব তার উপর দেওয়া হয়। একদিন মোটরবাইকে সেই বোমা নিয়ে যাওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি আহত হন। তখন অনেক কষ্টে পরিবার তাঁকে সুস্থ করে তোলে বলে দাবি তাঁর।

তার আরও অভিযোগ, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নিয়েছিলেন নিশীথ প্রামানিক। চাকরি তো হয়নি, অথচ সেই টাকা চাওয়া সত্ত্বেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি। এদিন সাংবাদিকদের ফিরদৌস ইসলাম বলেন, ’‌এখন তিনি চরম সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তাই তো বিষয়টি বাধ্য হয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান উদয়ন গুহকে জানিয়েছি।’‌

এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান উদয়ন গুহ বলেন, ‘‌ওই যুবককে আমি আগে চিনতাম না। আজ ওই যুবক এসে সমস্ত ঘটনা আমাকে জানিয়েছে। নিশীথের কথামতো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বোমা বহন করার সময় সেই বোমা বিস্ফোরণে যুবক আহত হয়। কেবল তাই নয় চাকরির নাম করে টাকা নেওয়া হয়েছিল ওই যুবকের কাছ থেকে। এখন ছেলেটি নিঃস্ব। এগুলি মানবাধিকার কমিশন বা সিবিআইয়ের কাছে তুলে ধরার কেউ নেই।’‌

তবে টেলিফোনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার টেলিফোনের সুইচ অফ ছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে দাড়িয়ে জয়ী হন। কিন্তু সাংসদ হওয়ার কারণে তাঁকে বিধায়ক পদ ছাড়তে হয়। এরপর তাঁকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ ওঠায় রাজ্য–রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

বন্ধ করুন