বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Sarada scam: বেল বন্ডের টাকা জোগাড় করতে পারেননি সুদীপ্ত, আদালতে মিলল না জামিন
সারদা গোষ্ঠীর কর্ণধার সুদীপ্ত সেন। ফাইল ছবি

Sarada scam: বেল বন্ডের টাকা জোগাড় করতে পারেননি সুদীপ্ত, আদালতে মিলল না জামিন

  • তিনি আদালতকে জানান, বর্তমানে আর্থিকভাবে তিনি এতটাই বিপর্যস্ত যে তাঁর পক্ষে বেল বন্ড জমা করার টাকা নেই। তাই তিনি ব্যক্তিগত রিলিজ বন্ডে আদালতের কাছে জামিন চান। কিন্তু, আদালত জানিয়ে দেয় যেহেতু নির্দেশ দেওয়া হয়ে গিয়েছে তাই তাঁকে জামিনদার জোগাড় করে জামিন নিতে হবে।

বেল বন্ড জমা দিতে না পারায় জামিন পেলেন না সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। শ্রীরামপুর আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের দুটি মামলা চলছে। সেই মামলাতে ব্যক্তিগতভাবে তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। আদালত তাঁকে বেল বন্ড জমা দিয়ে জামিন নিতে বলেছিল। কিন্তু, বেল বন্ড জমা করতে না পারায় বুধবার ফের তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে জামিনদার জোগাড় করে তাঁকে জানিয়ে নিতে হবে। ১৪ দিন পর ফের আদালতে সুদীপ সেনকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে জামিনদার জোগাড় করতে হবে।

গতকাল আদালতে হাজির হয়ে বেল বন্ড জমা দিতে না পারার কারণ জানান। তিনি আদালতকে জানান, বর্তমানে আর্থিকভাবে তিনি এতটাই বিপর্যস্ত যে তাঁর পক্ষে বেল বন্ড জমা করার টাকা নেই। তাই তিনি ব্যক্তিগত রিলিজ বন্ডে আদালতের কাছে জামিন চান। কিন্তু, আদালত জানিয়ে দেয় যেহেতু নির্দেশ দেওয়া হয়ে গিয়েছে তাই তাঁকে জামিনদার জোগাড় করে জামিন নিতে হবে। ফলে সে ক্ষেত্রে সুদীপ্ত জামিনদার জোগাড় না করতে পারলে তাঁর জামিন হবে কি না তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

সুদীপ্তর আইনজীবী জয়দীপ মুখোপাধ্যায় জানান, ১৪ দিন আগে সুদীপ্ত সেনকে দুটি মামলাতে জামিন দেয় আদালত। তবে তিনি আর্থিকভাবে সমস্যায় থাকার ফলে বেল বন্ডের টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই তিনি ব্যক্তিগত রিলিজ বন্ডে জামিনের আবেদন জানান। তিনি জানান, অন্যান্য কোর্টে ব্যক্তিগত রিলিজ বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। তাই এই কোর্টেও তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হোক। কিন্তু, বিচারক জানিয়ে দেন যেহেতু নির্দেশ দেওয়া হয়ে গিয়েছে তাই তাঁকে জামিনদার জোগাড় করতেই হবে।

সাধারণত আদালতে ঢোকা বা বেরোনোর সময় সুদীপ্ত সেনকে প্রায়ই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যায়। তবে এদিন সাংবাদিকদের সব প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান। তিনি যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তা এই দিন তাঁর চোখেমুখ দেখে স্পষ্ট বোঝা যায়।

বন্ধ করুন