বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কোচবিহারে তৃণমূলের বৈঠকে জেলার ৮ বিধায়কের মধ্যে গরহাজির ৫ জনই
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

কোচবিহারে তৃণমূলের বৈঠকে জেলার ৮ বিধায়কের মধ্যে গরহাজির ৫ জনই

  • মিহির গোস্বামী ছাড়াও এদিনের বৈঠকে দেখা যায়নি সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, শীতলখুচির বিধায়ক হিতেন বর্মন, তুফানগঞ্জের বিধায়ক ফজলে করিম মিয়াঁ ও নাটাবাড়ির বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে।

বিধানসভা নির্বাচন যত এগোচ্ছে ততই বিদ্রোহের আগুন ছড়াচ্ছে তৃণমূলে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, বিদ্রোহ সামাল দিতে নাজেহাল নেতৃত্ব। আর তাদের মাথাব্যাথার অন্যতম কারণ কোচবিহার জেলা। ইতিমধ্যে সেখানে দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তবে মঙ্গলবার যা ঘটল তাতে দলের শীর্ষনেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া হবে। তৃণমূলের বর্ধিত জেলা কমিটির বৈঠকে হাজির হলেন না ৫ বিধায়ক। জেলার ৮ বিধায়কের মধ্যে ৫ জনই গরহাজির থাকায় দলের অভ্যন্তরে তুমুল জল্পনা শুরু হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন না উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা নাটাবাড়ির বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষও।

মঙ্গলবার কোচবিহারে ছিল তৃণমূলের বর্ধিত জেলা কমিটির বৈঠক। সেখানে দেখা যায়নি শাসকদলের ৫ বিধায়ককে। কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী ছাড়াও এদিনের বৈঠকে দেখা যায়নি সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, শীতলখুচির বিধায়ক হিতেন বর্মন, তুফানগঞ্জের বিধায়ক ফজলে করিম মিয়াঁ ও নাটাবাড়ির বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। 

মাস কয়েক আগেই পার্থসারথি রায়েকেকোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পর বিজেপি থেকে একাধিক নেতা-কর্মীকে তৃণমূলে যোগদান করালেও নিজের দলে বিদ্রোহ ক্রমশ বাড়ছে। এদিনের বৈঠকে জেলার ৭টি ব্লক কমিটি ঘোষণা করেন তিনি। পরে জানান, সমস্ত বিধায়ককে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ৫ জন কেন আসেননি তা খোঁজ নিয়ে দেখবো। 

 

বন্ধ করুন