বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মহিলা কর্মসংস্থানে শীর্ষে বাংলা, কেন্দ্রীয় রিপোর্টেই মিলছে সাফল্যের স্বীকৃতি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০ লক্ষ মহিলার হাতে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’–এর প্রাপ্য টাকা তুলে দিলেন।

মহিলা কর্মসংস্থানে শীর্ষে বাংলা, কেন্দ্রীয় রিপোর্টেই মিলছে সাফল্যের স্বীকৃতি

  • করোনাভাইরাসের জেরে দেশে বহু মানুষের কাজ চলে গিয়েছে। বেকার হয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে বাংলার এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে গর্বের। বিরোধীরা সমালোচনা করলেও এই রিপোর্ট সব কিছুর উত্তর দিল বলে মনে করা হচ্ছে। মহিলাদেরকে স্বনির্ভর করতে রাজ্য সরকার একাধিক প্রকল্প চালু করেছিল। 

কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বাংলার সরকারের আদায়–কাঁচকলায় সম্পর্ক থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে কাজ করে এগিয়ে চলেছে তা স্বীকার করছে তাঁরা। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে পিছনে ফেলে দেশের মধ্যে মহিলাদের কর্মসংস্থানে শীর্ষে বাংলা। এই রিপোর্ট কারা দিচ্ছে?‌ সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৫ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

ঠিক কী উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে?‌ এই রিপোর্ট বলছে, গোটা দেশে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত ১.২৫ কোটি মহিলা কাজ হারিয়েছেন। আর বাংলায় ৪৩.৭১ লক্ষ মহিলা কাজ পেয়েছেন। এমনকী গত ৫ বছর আগে ৩৩.২২ লক্ষ মহিলা চাকরি পেয়েছেন। আর সেটা বেড়ে এখন ১০ লক্ষেরও বেশি হয়েছে। দেশের সব রাজ্যের মধ্যে মহিলাদের কর্মসংস্থানে প্রথম হয়েছে বাংলা। দেশের সমস্ত রাজ্যকে পেছনে ফেলে মহিলা কর্মসংস্থানে শীর্ষে বাংলা।

কতটা এগিয়ে মমতার বাংলা?‌ কেন্দ্রীয় এই রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলায় মহিলা কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যান ছিল ৪৩.২১ লক্ষ। আর জানুয়ারি মাস থেকে এপ্রিল ২০২২ তা বেড়ে ৪৩.৭১ লক্ষ হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, মহিলাদের কর্মসংস্থানের নিরিখে নরেন্দ্র মোদীর গুজরাতের থেকেও এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্য। গত পাঁচ বছরের হিসেবে গুজরাতে মহিলা কর্মসংস্থান বেড়েছে ৮.৬৭ লক্ষ। যা বাংলার তুলনায় ১.৪২ লক্ষ কম। তারপর রয়েছে অন্যান্য রাজ্য।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের জেরে দেশে বহু মানুষের কাজ চলে গিয়েছে। বেকার হয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে বাংলার এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে গর্বের। বিরোধীরা সমালোচনা করলেও এই রিপোর্ট সব কিছুর উত্তর দিল বলে মনে করা হচ্ছে। মহিলাদেরকে স্বনির্ভর করতে রাজ্য সরকার একাধিক প্রকল্প চালু করেছিল। তার জেরেই এমন সুফল পেয়েছে বাংলা।

বন্ধ করুন