বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > দলের অন্দরে বিদ্রোহ চরমে, লাগাম পরাতে পদাধিকারীদের সরাতে চাইছে বিজেপি
বিদ্রোহ আছড়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
বিদ্রোহ আছড়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

দলের অন্দরে বিদ্রোহ চরমে, লাগাম পরাতে পদাধিকারীদের সরাতে চাইছে বিজেপি

  • এমনকী পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিরুদ্ধে যাঁরা মুখ খুলেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার কথা ভাবছে দল।

একুশের নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপি অন্দরে যেমন ভাঙন শুরু হয়েছে তেমনই দলের অন্দরে প্রবল বিদ্রোহ দেখা দিতে শুরু করেছে। সেই বিদ্রোহ আছড়ে পড়েছে বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখন এই বিদ্রোহীদের নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। এমনকী পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের বিরুদ্ধে যাঁরা মুখ খুলেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার কথা ভাবছে দল। দলের কিষাণ মোর্চার বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী।

এখন লাগাতার শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সমালোচনা চলছে। সূত্রের খবর, এই অবস্থার লাগাম পরাতে অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, ‘‌সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা দলবিরোধী কথা বলছেন, সমালোচনা করছেন তাঁদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রয়োজনে তাঁদের দায়িত্ব থেকে মুক্ত করতে হবে।’‌ বিজেপির হেস্টিংস কার্যালয়ে দলের কিষাণ মোর্চার রাজ্য কার্যকারিণী বৈঠকে এই কড়া বার্তা দেন তিনি।

জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে কোন কোন জেলায় কৃষক সংগঠনের কী হাল তা নিয়ে কোনও রিপোর্টিং হয়নি। শুধু প্রথমসারির নেতাদের ভাষণ হয়েছে। আর কেউ কথা বলার সুযোগ পায়নি। এখানে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, কৃষক নয় এমন কিছু তৃণমূল কংগ্রেস ক্যাডারের নাম কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পের তালিকায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ৯ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে।

আর সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য জানান, কৃষকদের দাবিদাওয়া ও কৃষকরা যাতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পান তা নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে জেলায় জেলায় আন্দোলন কর্মসূচি করবে কিষাণ মোর্চা। আর দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, বাংলায় বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন ক্ষমতার পরিবর্তন হবে। তাই এসেছিলেন। লক্ষ লক্ষ এসেছিলেন, চারশো–পাঁচশো যাচ্ছেন এখন এটাই পার্থক্য।

বন্ধ করুন