বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌‌যাঁদের চাণক্য বলে মাথায় তুলে রাখা হয়েছিল....‌’‌, দলত্যাগ নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ
বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (PTI)

‘‌‌যাঁদের চাণক্য বলে মাথায় তুলে রাখা হয়েছিল....‌’‌, দলত্যাগ নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ

  • ২০১৯ সালের পর বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী–‌সহ আরও অনেকে বিজেপিতে নাম লেখান। আর একুশের নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া বেশিরভাগ নেতারা তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। 

একুশের নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপিতে ডামাডোল শুরু হয়েছে। দলের বিধায়ক–সাংসদ থেকে শুরু করে নেতা–কর্মী গেরুয়া সংস্রব ত্যাগ করেছেন। তার উপর শুরু হয়েছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আর যত এগুলি বেড়েছে তত বিজেপি গোহারা হতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন দলছুট বাড়ল? এই বিষয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ মনে করেন,‌ ২০১৯ সালের পর যাঁরা বিজেপিতে এসেছিলেন তাঁরাই এখন দল ছাড়ছেন।

যদিও এই ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কেমন বিতর্ক রয়েছে?‌ হাওড়া জেলার বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে দল ছেড়েছেন। তিনি আদি বিজেপি নেতা বলেই পরিচিত। জয়প্রকাশ মজুমদার বিজেপি ত্যাগ করেছেন। তিনি ২০১৪ সাল থেকে বিজেপি করছেন। এছাড়া আরও অনেকে আছেন যাঁরা বিজেপিতে ছিলেন বহু আগে থেকেই। কিন্তু এখন আর বিজেপিতে থাকতে চাইছেন না।

ঠিক কী বলেছেন মেদিনীপুরের সাংসদ?‌ একটি টেলিভিশন চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‌২০১৯ সালের পরে যাঁরা বিজেপিতে এসেছিলেন, তাঁরাই চলে যাচ্ছেন। ‌যাঁদের চাণক্য বলে মাথায় তুলে রাখা হয়েছিল, তাঁরাও ফিরে গিয়েছেন।’ সুতরাং মুকুল রায়ের চলে যাওয়াকে ইঙ্গিত করেছেন দিলীপ ঘোষ। যদিও মুকুল রায়ের আগে–পরে অনেকেই দল ছেড়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের পর বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী–‌সহ আরও অনেকে বিজেপিতে নাম লেখান। আর একুশের নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া বেশিরভাগ নেতারা তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। তবে বাবুল, জয়প্রকাশের মতো নেতারা বিজেপি থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।

বন্ধ করুন