পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। ফাইল ছবি
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। ফাইল ছবি

বিধানসভায় ফের বিশৃঙ্খলা, হাতাহাতির উপক্রম শাসক ও বিরোধী বিধায়কদের মধ্যে

  • মনোজবাবুর আচরণে পালটা হট্টগোল শুরু করেন ট্রেজারি বেঞ্চের বিধায়করা। এক সময় হাতাহাতির উপক্রম হয়।

শাসক – বিরোধী হাতাহাতিতে ফের একবার বেনজির বিশৃঙ্খলা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়। অধিবেশনে মন্ত্রীরা গরহাজির কেন? প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভ বিরোধীদের। পালটা বিরোধী বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পরিষদীয় মন্ত্রীর দিকে মারমুখী হয়ে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে ছিল রাজ্যপালের ভাষণের ওপর আলোচনা। নির্দিষ্ট সময় বিরোধী বিধায়করা বিধানসভা কক্ষে পৌঁছলেও তখনও প্রায় ফাঁকা ট্রেজারি বেঞ্চ। ছিলেন মাত্র ৩ জন মন্ত্রী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ণেন্দু বসু ও বিনয়কৃষ্ণ বর্মণ। এতেই চটে যান বিরোধী বিধায়করা। অধিবেশনে মন্ত্রীরা গরহাজির কেন প্রশ্ন তুলে হইহট্টগোল শুরু করেন তাঁরা।

এরই মধ্যে ফোনে কথা বলতে বলতে বিধানসভা কক্ষে ঢোকেন পরিষদীয় মন্ত্রী তাপস রায়। তাঁকে দেখে আরও ক্ষেপে যান মনোজবাবু। তাপসবাবুকে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি পরিষদীয় মন্ত্রী আর তোমারই ঢুকতে এত দেরি?’ এর পরই ওয়েলে নেমে তাপসবাবুর দিকে তেড়ে যান মনোজবাবু। তাঁর দাবি, ফোনে কথা বলতে বলতে বিধানসভায় ঢোকায় ক্ষমা চাইতে হবে তাপসবাবুকে।

মনোজবাবুর আচরণে পালটা হট্টগোল শুরু করেন ট্রেজারি বেঞ্চের বিধায়করা। এক সময় হাতাহাতির উপক্রম হয়। কয়েকজন বিধায়কের তত্পরতায় সেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

এর পর তাপস বাবুকে ক্ষমা চাইতে হবে এই দাবি তোলেন বিরোধী বিধায়করা। বেঁকে বসেন তাপসবাবু। প্রতিবাদে ওয়াক আউট করে আম্মেদকর মূর্তির সামনে ধরনায় বসেন তাঁরা।

পরিস্থিতি ঘোরালো বুঝে, মনোজ চক্রবর্তী, সুজন চক্রবর্তী ও তাপস রায়কে বিধানসভায় নিজের ঘরে ডেকে পাঠান স্পিকার। সেখানে তাঁদের নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে নিতে বলেন। এর পর ফের শুরু হয় বিধানসভার অধিবেশন।


বন্ধ করুন