বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বিবেকানন্দর জন্মদিবসে গেরুয়া পরলেন ফিরহাদ, কারণটাও জানিয়ে দিলেন নিজেই…

বিবেকানন্দর জন্মদিবসে গেরুয়া পরলেন ফিরহাদ, কারণটাও জানিয়ে দিলেন নিজেই…

ফিরহাদ হাকিম, মেয়র

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করেছেন রাজ্যে এমন শিক্ষার হাল থাকলে স্বামীজিও বাংলা থেকে প্রস্থান করতেন। সেই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, স্বামীজি কী করতেন সেটা নিয়ে শুভেন্দুকে দেখতে হবে না।

স্বামী বিবেকানন্দর জন্মদিবস। আর চেতলায় বিবেকানন্দর মূর্তিতে মাল্যদান অনুষ্ঠানে গেরুয়া পাঞ্জাবি পরে এলেন কলকাতার পুরসভার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। অনেকের মতে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে নামলেন তিনি। তারপর গেরুয়া পরার কারণটাও জানালেন। ফিরহাদ হাকিম বলেন, বিজেপির সঙ্গে ব্যাপার নয়। বিবেকানন্দ সারা ভারতের। বিবেক চেতনা না থাকলে ঐক্যবদ্ধ চেতনা থাকবে না। ধর্মনিরপেক্ষতা ঠাকুর ও বিবেকানন্দ দেশকে শিখিয়ে গিয়েছে। বিজেপির যদি সত্যি বিবেকান্দর প্রতি শ্রদ্ধা থাকে তবে কোনও মুসলমান ঘরে গিয়ে হুঁকো খেয়ে বলুক কোথায় আমার তো জাত গেল না!

তিনি বলেন, যারা জাতপাত ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতি করে তাদের জন্য বিবেকানন্দ নয়। বিকেবাকন্দ এসবের উর্ধে…। মানুষকে মেরে ঈশ্বর সেবা করা যায় না, মানুষকে ভালোবাসতে হয়। কিন্তু ফিরহাদ হাকিমকে গেরুয়া পাঞ্জাবিতে সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু কী এমন হল তাঁকেও গেরুয়া পরতে হল?

ফিরহাদ হাকিম বলেন, আজ বিবেকানন্দর জন্মদিন। আমরা যুব সমাজকে আহ্বান করি। বিবেকানন্দ ত্যাগের প্রতীক। তাই এই কালারটা ত্যাগের প্রতীক। বিজেপি করে ভোগের প্রতীক হয়। আর আমরা যারা সত্যি সত্যি যারা বিবেকানন্দর অনুরাগী তারা ত্যাগের প্রতীকের জন্য এটা পরি। এই কালারটা আসলে বিজেপি পেটেন্ট নেয়নি। সেটাই প্রমাণ করতে চাইছি।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে কটাক্ষ করে ফিরহাদ বলেন, স্বামী বিবেকানন্দর বাড়ি যখন আপনি যাবেন তখন আপানার হৃদয়টাকেও ওই মাপের করতে হবে। কটাক্ষ করা, সেখানে এই সব কথা বলা অনুচিত। যখনই কেউ বিজেপি করবে সে আর সিবিআই, ইডির ডাক পাবে না। সেকারণেই আমরা ডাক পাই।

এর সঙ্গেই ভিনরাজ্যে বাংলার ছেলেমেয়েদের চলে যাওয়া প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, এটার কারণ হল যারা বাংলায় কম্পিউটার ঢুকতে দেয়নি তারা এর জন্য দায়ী। ৯০ এর প্রথমে যারা কম্পিউটার ঢুকতে দেয়নি তারা আইটিকে অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়েছিল। এখন আমরা এখানে আইটিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি।

এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করেছেন রাজ্যে এমন শিক্ষার হাল থাকলে স্বামীজিও বাংলা থেকে প্রস্থান করতেন। সেই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, স্বামীজি কী করতেন সেটা নিয়ে শুভেন্দুকে দেখতে হবে না। স্বামীজির আদর্শে হাজার হাজার মানুষ বাংলায় রয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বাংলায় আসার পরেই স্বামীজিকে নিয়ে বাংলার যুব সমাজ যাতে স্থান করে সেটা আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

গঙ্গা আরতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেফটির ব্যাপারটা দেখা হবে। তারপর এটা করা যাবে।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

বন্ধ করুন