বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আমায় তুই বলার কেউ রইল না, মেয়র হওয়া নিয়ে ঝামেলা, বন্ধুর স্মৃতিকথায় ডুব শোভনদেবের
সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

আমায় তুই বলার কেউ রইল না, মেয়র হওয়া নিয়ে ঝামেলা, বন্ধুর স্মৃতিকথায় ডুব শোভনদেবের

  • টুইট করে শোভনদব লিখেছেন, আমাদের ঝগড়া হত, আবার ভাব হত। জানিনা এই দুঃখ কোথায় রাখব !

রাজনীতিতে আমার আর তুই বলার কেউ রইল না। ফেসবুকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেই লিখেছেন সেকথা। আসলে বন্ধুর প্রয়াণে নানা স্মৃতি এসে ভিড় করছে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মনে। কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বন্ধুর এভাবে চলে যাওয়া। রেষারেষি ছিল, ভাবও হয়েছে বার বার। সুব্রতর প্রয়াণের পরে রাখঢাক করেননি কিছুই। দুজনের মধ্যে এতটাই আন্তরিক টান ছিল যে লুকোছাপারও কোনও জায়গা নেই। আর প্রকৃত বন্ধুত্ব বোধহয় একেই বলে। দীর্ঘ এক রাজনৈতিক জীবনের সমাপন হয়েছে। শোভনদেব জানিয়েছেন, ব'ড় মজার মানুষ ছিল সুব্রত। সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের সরকারের মন্ত্রী হল সুব্রত। একদিন সকালে ফোন করে বলল, আয় জরুরী কথা আছে। যেতেই বলল, চল পুরী ঘুরে আসি। আমি বললাম, পুরী যাবি কী করে? জামাকাপড় তো কিছুই আনিনি। ও বলল, আরে জামাকাপড় আনলে আর যাওয়ার মজা কী। এমনই চল।' সেই সুব্রতই চলে গেলেন চিরতরে।

 

টুইট করে শোভনদেব লিখেছেন, আমাদের ঝগড়া হত, আবার ভাব হত। জানিনা এই দুঃখ কোথায় রাখব ! কত কত স্মৃতির ভিড়। দলের একমাত্র বন্ধু যে আমায় তুই বলে সম্বোধন করত। ভালো থাকিস বন্ধু। শান্তিতে থাকিস। তিনি লিখেছেন, সুব্রত আমার থেকে ২ বছরের ছোট ছিল।  তিনি লিখেছেন,যখন কলকাতার মেয়র হওয়ার কথা  হল তখন ঝামেলা হয়েছিল। যদিও সেসব মনে রাখিনি। তিনি লিখেছেন, একবার আমি সারাভারত পৌর কর্মচারীদের সেক্রেটারি হই। সুব্রত জানত। জানার পরেই ও দিল্লি গিয়ে আমার নামটা কাটিয়ে দিয়ে আসে। তারপর একবার আইএনটিটিইউসির কমিটির থেকেও আমার নামটা কাটিয়ে আসে। এরকম ৫০ বছরের বন্ধুত্ব আমাদের। রেষারেষি, ভালোবাসি সব নিয়ে..। জানিয়েছেন শোভনদেব। আর শুক্রবার সেই বন্ধুর এভাবে চলে যাওয়া দেখতে মন চায়নি শোভনদেবের। 

 

বন্ধ করুন