বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যের জন্য আরও ২,৭০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করল মোদী সরকার
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যের জন্য আরও ২,৭০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করল মোদী সরকার

  • শুক্রবারের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ নিয়ে NDRF-এর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন শাহ। তাতে মোট ৪,৩৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষতিপূরণবাবদ পশ্চিমবঙ্গকে আরও টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রের মোদী সরকার। শুক্রবার বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর পশ্চিমবঙ্গের জন্য আরও ২,৭০৭ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এর জেরে আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ৩,৭০৭ কোটি টাকা পেতে চলেছে রাজ্য। 

শুক্রবারের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ নিয়ে NDRF-এর কর্তাদের সঙ্গে বসেন শাহ। তাতে মোট ৪,৩৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গকে ২,৭০৭.৭৭ কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।। 

ঘূর্ণিঝড় আমফান আঘাত হানার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আকাশ পথে ঘুরে দেখেছিলেন ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত এলাকা। এর পর রাজ্যের জন্য ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন তিনি। 

এর পর আমফানের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। ২ দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেয় তারা। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই পশ্চিমবঙ্গকে আরও ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করল কেন্দ্র। 

কেন্দ্রের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। তিনি বলেন, আমফানের পর মোদী সব রকম ভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। বলে রাখি, আমফানে রাজ্যে ১ লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, মোদী সরকার কথা রেখেছে। এর আগে রাজ্য সরকারকে যে টাকা দিয়েছিল তা বিভিন্ন উপায়ে তৃণমূলের পার্টি ফান্ডে চলে গিয়েছে। এবার টাকা সঠিক ভাবে খরচ করাই রাজ্য সরকারের কাছে চ্যালেঞ্জ।

বন্ধ করুন