বাংলা নিউজ > ভোটের লড়াই > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > ভোটের আগে CAA চালু হওয়ার সম্ভাবনা কম, কার্যত স্পষ্ট লোকসভায় সরকারের জবাবে
এনপিআর. এনআরসি ও সিএএ-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
এনপিআর. এনআরসি ও সিএএ-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

ভোটের আগে CAA চালু হওয়ার সম্ভাবনা কম, কার্যত স্পষ্ট লোকসভায় সরকারের জবাবে

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের নিয়ম প্রণয়ন করার কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে 

এক বছরেরও বেশি সময় হয়ে গিয়েছে আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। কিন্তু  সেই আইনের খুঁটিনাটি এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি কেন্দ্র। লোকসভায় কেন্দ্রের তরফ থেকে মঙ্গলবার এই কথা জানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন যে জানুয়ারি ১০, ২০২০-তে আইন হয় এটি। 

লিখিত জবাবে রাই বলেন যে লোকসভা ও রাজ্যসভার সংশ্লিষ্ট কমিটিরা নিয়ম প্রণয়ন করার জন্য আরো সময় দিয়েছে। লোকসভার কমিটি ৯ এপ্রিল ও রাজ্যসভার কমিটি জুলাই ৯ অবধি সময় দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এপ্রিল-মে মাসে বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট। পশ্চিমবঙ্গে মূলত সীমন্তবর্তী এলাকায় সিএএ নিশ্চিত ভাবেই বড় একটি ইস্যু। কিন্তু জুলাই অবধি সময় আপাতত সরকার পেয়েছে রাজ্যসভার কমিটি থেকে আইনের খুঁটিনাটি তৈরি করার জন্য। তাই তার আগেই এটি লাগু হয়ে যাবে, সেই সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে। 

প্রসঙ্গত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও ক্রিস্টান শরণার্থীদের এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এটি সংসদে পাশ হয়। ২০১৫-র আগে যারা ভারতে এসেছেন, তারাই এই আইনের আওতায় নাগরিকত্ব পাবেন। এই আইন পাশের পরেই সারা দেশে প্রতিবাদ শুরু হয়। এনআরসি ও সিএএ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেন অনেকে। নিয়ম অনুযায়ী আইন পাশের ছয় মাসের মধ্যেই খুঁটিনাটি তৈরি হয়ে যাওয়া উচিত। যদি সেটা সম্ভব না হয়, তাহলে সংসদীয় কমিটিকে কারণ দর্শিয়ে এক্সটেনশন নিতে হয়। একবারে তিন মাসের বেশি সময় পাওয়া যাবে না। বঙ্গ বিজেপির অনেক নেতার আশা ছিল যে হয়তো ভোটের আগেই লাগু হবে সিএএ। কিন্তু সেটা হওয়া যে শক্ত, এদিনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের উত্তরেই স্পষ্ট। 

বন্ধ করুন