বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘শাহরুখ আমার পা চাটছে’ বলেছিলেন আমির, দঙ্গল তারকার ভক্তদের কী উপদেশ ছিল বাদশার?
এখন অবশ্য অল ইজ ওয়েল
এখন অবশ্য অল ইজ ওয়েল

‘শাহরুখ আমার পা চাটছে’ বলেছিলেন আমির, দঙ্গল তারকার ভক্তদের কী উপদেশ ছিল বাদশার?

  • গঙ্গার উপর দিয়ে এরপর বয়ে গিয়েছে অনেক জল। এখন অবশ্য অল ইজ ওয়েল….

বলিউড খানদানের তিন প্রধান স্তম্ভ সলমন খান,শাহরুখ খান ও আমির খান। তিন সুপারস্টারই আজকের দিনে দাঁড়িয়ে একে অপরে প্রশংসক, সমর্থক ও ভালো বন্ধু। একে অপরের ছবি রিলিজ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের কোনও আনন্দের মুহূর্তে শামিল হওয়া সবই চলে সমানতালে- তবে বেশ কয়েক বছর আগে কিন্তু বলিউডের ছবিটা একেবারেই এক ছিল না। সলমন-শাহরুখের প্রকাশ্য দ্বন্দ্বের কথা তো কারুরই অজানা নয়, তবে ঠান্ডা যুদ্ধ জারি ছিল আমির খান ও শাহরুখ খানের মধ্যেও। 

২০০৪ সালে কফি উইথ করণের মঞ্চে শাহরুখ খানের স্বীকারোক্তি চমকে দিয়েছিল সকলকে! সেইবার কাজলকে সঙ্গে নিয়ে করণের টক শো'তে হাজির হয়েছিলেন কিং খান। ব়্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে শাহরুখকে প্রশ্ন করা হয় আমির ভক্তদের তিনি কী উপদেশ দিতে চান? কোনওরকম সময় নষ্ট না করে শাহরুখ বলেন- ‘তোমাদের এমন আইকনের খোঁজ করা উচিত, যাকে তোমরা অনুসরণ করতে পারবে’। সলমন ভক্তদের কী উপদেশ দেবেন শাহরুখ? জবাব এসেছিল- ‘ভগবান তোমাদের মঙ্গল করুক’।

ঠিক চার বছর পর শাহরুখ খানকে নিয়ে আরও বিস্ফোরক মন্তব্য উড়ে এসেছিল মিস্টার পারফেকশানিস্টের তরফে। নিজের ব্লগে আমির লিখেছিলেন তাঁর কাছে নাকি একটি কুকুর আছে, যার নাম শাহরুখ। থ্রি ইডিয়ট অভিনেতা লেখেন- ‘আমি একদম উপত্যকার পাড়ে একটা গাছের নীচে বসে আছি, সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৫০০০ মিটার উপরে… আম্মি, ইরা,জুনায়েদ আমার পাশে রয়েছে এবং আমরা আমাদের একটা প্রিয় বোর্ড গেমের মধ্যে রয়েছি। শাহরুখ আমার পা চাটতে ব্যস্ত এবং আমি ওকে বিস্কুট খাওয়াচ্ছি। এর চেয়ে বেশি আর কী বা চাইতে পারি?’ এরপর শাহরুখ ভক্তদের ব্যাপক রোষের মুখে পড়েছিলেন আমির।

পরবর্তী সময়ে আপকি আদালতে আমির বলেন- তিনি ব্লগটি মজার ছলে লিখেছিলেন, এবং ভেবেছিলেন শাহরুখ বিষয়টিতে মজা পাবেন।

যদিও এখন ‘অল ইজ ওয়েল’। আর কোনও মনোমালিন্য বা ঠান্ডা যুদ্ধ একেবারেই নেই তিন খানের মধ্যে। সম্প্রতি শাহরুখের দিলওয়ালে দুলহানিয়া লেযাঙ্গের ২৫ বছর পূর্তিতে একটি মিষ্টি বার্তা পোস্ট করেন আমির। 

তিনি লেখেন-একজন হিরো যে নিজের বিবেক খুঁজে পেয়েছিল, একদন হিরোইন যে আওয়াজ উঠাতে সক্ষম হয়েছিল এবং একজন ভিলেন- যাঁর মন পালটে ছিল। ডিডিএলজের আমাদের শেখায় নিজেদের ভিতরের আরও দয়ালু,সূক্ষ্ম ও সংবেদনশীল সত্ত্বাকে খুঁজে পেতে। ২৫ বছর পরেও এই ছবি ততটাই মুগ্ধ করে এই জগতকে। ধন্যবাদ আদি, কাজল, শাহরুখ এবং ডিডিএলজের গোটা টিমকে'।

বন্ধ করুন