বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > মাত্র ৭ মাস হয়েছে বিয়ের, নীল-তৃণার সম্পর্কে পড়েছে ‘তৃতীয় ব্যক্তির’ নজর!
নীল-তৃণা। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
নীল-তৃণা। (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

মাত্র ৭ মাস হয়েছে বিয়ের, নীল-তৃণার সম্পর্কে পড়েছে ‘তৃতীয় ব্যক্তির’ নজর!

  • সংবাদমাধ্যমের কাছে ‘গুনগুন’ ওরফে অভিনেত্রী তৃণা সাহা নিজেই জানালেন সে কথা। 

বিয়ের পর ৭ মাস কেটে গিয়েছে। প্রায় ১২ বছরের বেশি সময় ধরে একে-অপরকে চেনেন। সামাজিক মাধ্যমে দম্পতির ভালবাসা মাখানো ছবি প্রায়ই ভাইরাল হয়। তবে জানেন কি, তাঁদের সম্পর্কে একাধিকবার ফোড়ন দিতে হাজির হয়েছিলেন ‘বাইরের’ মানুষেরা। সম্পর্ক ভাঙারও নাকি চেষ্টা হয়েছিল লাগানি-ভাঙানি দিয়ে। 

বিয়ের আগে থেকেই শ্বশুরবাড়ির প্রতিটা মানুষকে চেনেন। নিজের বাড়িতে যেভাবে সবাই আগলে রাখত, এখানেও সেটাই হয়। নীলের মা তাঁকে সেভাবে কোনও কাজ করতে দেন না। নীলের বাবা নাকি চমৎকার মুরগির মাংস রান্না করেন। অর্থাৎ ‘গুনগুন’-এর মতো তৃণাও শ্বশুরবাড়ি নিয়ে বড়ই খুশি।

সঙ্গে নীলের সঙ্গে দাম্পত্যকেও ফুল মার্কস দেন অভিনেত্রী। তাঁদের বোঝাপড়া আলাদা। একে-অপরকে স্পেস দেন। নীল বন্ধুদের সঙ্গে থাকলবে তৃণা ভুলেও তাঁকে বিরক্ত করেন না। আর ঠিক সেরকমটা করেন নীলও। তৃণা রান্না করতে ভালোবাসেন। নীল রান্না না পারলেও বাসন মেজে বউকে সাহায্য করেন। নীলের পছন্দ মতো দেশ-বিদেশের মিষ্টি বানান অভিনেত্রী। আবার যে কোনও রকম ঠান্ডা পানীয় বানানোর ব্যাপারে নীলের জুড়ি মেলা ভার।

তবে, একই ইন্ডাস্ট্রি বিশেষ করে টলিউডে কাজ করায় অনেক ধরনের বাধা এসেছে তাঁদের সম্পর্কে। তৃণা জানান, অনেকেই তাঁদের সম্পর্কে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করেছেন। একের কাছে অপরের নামে মিথ্যে কথাও বলেছেন। তবে দু'জনের মধ্যে বিশ্বাস অটুট। তাই তো, লোকের কথা কখনোই পাত্তা দেননি। বরং, একে-অপরের প্রতি বিশ্বাসযোগ্য থাকাটাই তাঁদের আসল উদ্দেশ্য। ছোটখাটো নানা কথা দু'জনে শেয়ার করে নেন। যাতে বাইরের কোনও ‘তৃতীয় ব্যক্তি’ সম্পর্কে ভাঙন ধরাতে আসতে না পারে!

বন্ধ করুন