বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Prosenjit Chatterjee in Bollywood: বলিউড আর প্রসেনজিতের অপূর্ণ প্রেম! পূর্ণ হলে হয়তো এভাবে থাকতেন না সলমন খান

Prosenjit Chatterjee in Bollywood: বলিউড আর প্রসেনজিতের অপূর্ণ প্রেম! পূর্ণ হলে হয়তো এভাবে থাকতেন না সলমন খান

প্রসেনজিৎ এবং সলমন 

Happy Birthday Prosenjit Chatterjee: বার বার বলিউডে ছবির প্রস্তাব পেয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। যাননি। কী বলছেন প্রসেনজিতের ছবির প্রযোজক?

দেখতে দেখতে ৬০টি বছর পেরিয়ে এলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা অভিনেতা এবং বাংলা ছবির মেগাস্টার প্রসেনজিৎকে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বেশির ভাগ মানুষ ডাকেন বুম্বাদা হিসাবেই। কিন্তু আর একটু হলেই এই ডাকটা বলিউডের সবার মুখে থাকত। কীভাবে জানেন?

কেরিয়ারের একেবারে গোড়ার দিকে, তখন নায়ক হিসাবে বাংলা ছবিতে অভিনয় করা শুরু করে দিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পর পর হিট ছবি দিচ্ছেন বাংলা সিনেমাকে। এই অবস্থায় ডাক আসে বলিউডের। ডেভিড ধাওয়ানের ছবিতে কাজ করেন প্রসেনজিৎ। সেই ছবির নায়িকা ছিলেন আয়েষা জুলকা। 

এখানেই বিষয়টি শেষ হয়ে যায়নি। এর পরে ডাক আসে ‘মেইনে পেয়ার কিয়া’ ছবির। সেই ছবিতে অবশ্য যাননি প্রসেনজিৎ। টলিউডের ভিতরে আজও এমন কথা বলেন অনেকেই, সে সময়ে ‘বুম্বাদা’ ছেড়ে চলে গেলে এখানকার বহু প্রযোজক বিপদে পড়তেন। সেই কারণেই নাকি যাননি তিনি। বদলে সেই ছবির প্রস্তাব চলে যায় সলমন খানের কাছে। বাকিটা— ইতিহাস।

হালে যিশু সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মতো অনেকেই টলিউড এবং বলিউডে একসঙ্গে কাজ করেন। সে সময়ে ওটিটি মাধ্যম ছিল না। ফলে প্রসেনজিতের কাছে এমন সুযোগ আসেনি। তা বলে অবশ্য বলিউডের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শেষও হয়ে যায়নি। দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় কাজ করেছেন হিন্দি ছবি। আবার বেশ কিছু হিন্দি ছবির বাংলা রিমেকেও কাজ করেছেন তিনি। 

কী হত তিনি বলিউড গেলে? প্রসেনজিতের ছবি ‘রাজু আঙ্কেল’-এ প্রযোজক পীযূষ সাহার মতে, ‘আমি তখনও প্রযোজনায় আসিনি। এসেছি পরে। যদিও অনেকের কাছেই শুনেছি, বুম্বাদা বলিউডের হিট ছবির অফার পেয়েও যাননি। এখানে বোধহয় কিছু কথা দেওয়া ছিল।’

যদি চলে যেতেন, তাহলে? পীযূষবাবুর মত, ‘তাহলে হয়তো মিঠুন চক্রবর্তীর পরে আমরা হয়তো জাতীয় স্তরে আবার একজন সুপারহিরোকে পেতাম।’ 

বাংলা ছবির কী হত তাহলে? এখানকার ছবির কতটা ক্ষতি হত? পীযূষবাবুর মতে, ‘কোনও কিছুই কারও জন্য থেমে থাকে না। বুম্বাদা যাননি, ফলে বাংলা ছবির বিরাট উন্নতি হয়েছে। এটা মেনে নিতেই হবে। কিন্তু বুম্বাদা না থাকলে হয়তো অন্য কেউ উঠে আসতেন। কেউ এগিয়ে নিয়ে যেতেন নায়ক হিসাবে। বিনোদনের চাহিদা তো মানুষের শেষ হত না। সেটা কেউ না কেউ পূরণ করতেনই।’

কিন্তু এর চেয়েও বড় একটি প্রশ্ন আছে? সেদিন যদি প্রসেনজিৎ বলিউড চলে যেতেন, তাহলে কি সলমন খানকে ভারতীয় বিনোদন জগত এভাবে পেত? এ নিয়ে আজও ‘বুম্বাদা’র অনুরাগীদের মধ্যে জোরদার আলোচনা আছে। সকলেরই মত, একদমই না, ঐশ্বর্য থেকে ক্যাটরিনা— সবাইকেই নাকি প্রসেনজিতের সঙ্গে পর্দায় প্রেম করতে দেখা যেত। বলিউডের সঙ্গে তাঁর প্রেমটা পূর্ণ হলেই!

বন্ধ করুন