বাড়ি > বায়োস্কোপ > লন্ডন থেকে দেশে ফিরে করোনা মোকাবিলায় ভারত সরকারের প্রশংসায় সোনম কাপুর, স্বামীর সঙ্গে আইসোলেশনে রয়েছেন অভিনেত্রী
বুধবারই স্বামী আনন্দ আহুজার সঙ্গে দিল্লিতে ফিরলেন সোনম কাপুর (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)
বুধবারই স্বামী আনন্দ আহুজার সঙ্গে দিল্লিতে ফিরলেন সোনম কাপুর (ছবি-ইনস্টাগ্রাম)

লন্ডন থেকে দেশে ফিরে করোনা মোকাবিলায় ভারত সরকারের প্রশংসায় সোনম কাপুর, স্বামীর সঙ্গে আইসোলেশনে রয়েছেন অভিনেত্রী

  • লন্ডন থেকে দেশে ফিরেই স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে গিয়েছেন সোনম ও তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজা। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার বার্তা দিলেন সোনম কাপুর আহুজা।

মঙ্গলবার লন্ডন থেকে দেশে ফিরলেন সোনম কাপুর ও তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজা। করোনার কবলে আক্রান্ত এই সময়ে লন্ডন থেকে দেশে ফেরার অভিজ্ঞতার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন সোনম। করোনা মোকাবিলায় ভারত সরকারের ভূমিকায় ভূয়সী প্রশংসা করলেন সোনম। তবে করোনা বিধ্বস্ত লন্ডনে নাকি একদম উলটো ছবি!

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিয়ো বার্তায় সোনম বলেন, 'আমি এবং আনন্দ দিল্লিতে ফিরলাম, এখন বাড়িতে রয়েছি। আমরা ধন্যবাদ জানাতে চাই এয়ারপোর্টের সকল কর্মীকে, বিমানে আমাদের সহযাত্রীদের। গোটা ব্যাপারটাই ভীষণ সুন্দরভাবে সম্পন্ন হল, খুব দায়িত্বের সঙ্গে। আশ্চর্যের ব্যাপার হল যখন আমরা লন্ডন এয়ারপোর্টে ছিলাম আমাদের কোনও স্ক্রিনিং করা হয়নি। আমরা চমকে গিয়েছিলাম! ভারতে আসার পর ইমিগ্রেশনে যাওয়ার আগে আমাদের একটা ফর্ম পূরণ করতে দেওয়া হয় এবং সেখানে জানতে চাওয়া হয় গত ২৫ দিন আমরা কোথায় কোথায় গিয়েছি-পুরো ট্রাভেল বৃত্তান্ত জানতে চায় তাঁরা। সৌভাগ্যবশত আমি আর আনন্দ গত ২৫ দিন কোথাউ যায়নি, সেইসব জায়গায় তো একদমই যায়নি যেস্থানগুলো করোনাভাইরাসের আতুঁড়ঘর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয়। আমরা একদম ঠিক আছি, তাপমাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে'।

বলিউডের এই স্টাইল আইকন যোগ করেন, 'আমি সত্যি কুর্নিশ জানায় সেইসব আধিকারিকদের যারা গোটা বিষয়টা এত নিপুণভাবে পরিচালনা করেছেন। ভীষণ স্বস্তিদায়ক এবং প্রশংসনীয়। আমরা গোটা সময়জুড়ে গ্লাভস এবং মাস্ক পড়েছিলাম। অন্য সকলেও তেমনটাই করেছিল দেখলাম.. সবাকেই জানাতে চাই সকলে নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করছে, সরকার যা যা করার সবকিছু করছে। আমরা সবাই মিলে এই লড়াইটা লড়ব'।

করোনাভাইরাস থাবা বসিয়ে গোটা বিশ্বজুড়ে তবে চিনের পর এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি জাঁকিয়ে বসেছে ইউরোপের দেশগুলিতে। ইতালিতে জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা, ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যে COVID-19 আক্রান্তের সংখ্যা মঙ্গলবার পর্যন্ত ছিল ১,৯৫০ জন, এই মহামারী প্রাণ কেড়েছে সে দেশের ৭১জনের।


সোনম জানিয়েছেন তাঁদের শরীরে করোনা সংক্রমের কোনওরকম উপসর্গ না থাকলেও স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে থাকবেন তাঁরা। তিনি বলেন, 'আমরা এমন কোনও দেশে যায়নি যেখানে এই মহামারী মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, তবুও আমরা যেহেতু আমাদের(আনন্দের) বাবা-মা এবং ঠাকুমার সঙ্গে থাকি তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কোয়ারেন্টাইনে থাকবার। সকলকে সতর্ক থাকার আর্জি জানাচ্ছি, নিজেদের ভালোবাসার মানুষগুলোর জন্য অন্তত সতর্ক হন'।


বন্ধ করুন