বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > জেলের অন্ধকারে কেটেছে ১১টা বসন্ত, মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরলেন কাশ্মীরের যুবক
কাশ্মীরে বাবার সমাধির সামনে বসির আহমেদ (নিজস্ব চিত্র)
কাশ্মীরে বাবার সমাধির সামনে বসির আহমেদ (নিজস্ব চিত্র)

জেলের অন্ধকারে কেটেছে ১১টা বসন্ত, মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফিরলেন কাশ্মীরের যুবক

  • তিনি বলেন, আমার সঙ্গে যেটা হয়েছিল তা ভয়াবহ। একটা বড় বিপর্যয়।কেন আমাকে গ্রেফতার করা হল সেটাই মাসের পর মাস জানতে পারলাম না। 

সেই দিনটার কথা ভাবলে এখনও শিউরে ওঠেন বসির আহমেদ বাবা। তাঁর দাবি, ২০১০ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি গুজরাট পুলিশের অ্য়ান্টি টেরোরিজম স্কোয়াড গ্রেফতার করেছিল তাকে। সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক তৈরি ও হিজবুলের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ গ্রেফতার করা হয় তাকে। তিনি জানিয়েছেন, সেই সময় তিনি একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের মুখোমুখি। বয়স ৩০ বছর। সবে একটি কম্পিউটার সেন্টার শুরু করেছেন। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহকারি প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসাবেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বিজ্ঞানে স্নাতক ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা শেষ করে সবে চাকরিতে ঢুকেছেন। বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা চলছিল। তাঁর দাবি ওই এনজিওর জন্য মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজনের ব্যাপারে তিনি গুজরাট গিয়েছিলেন। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ১৯শে জুন ভাদোদারা জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। ২৩ জুন ফেরেন কাশ্মীরে। মাঝে কেটে গিয়েছে এতগুলো বছর। 

সেই দিনটার কথা ভাবলে এখনও শিউরে ওঠেন বসির আহমেদ বাবা। তাঁর দাবি, ২০১০ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি গুজরাট পুলিশের অ্য়ান্টি টেরোরিজম স্কোয়াড গ্রেফতার করেছিল তাকে। সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক তৈরি ও হিজবুলের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ গ্রেফতার করা হয় তাকে। তিনি জানিয়েছেন, সেই সময় তিনি একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের মুখোমুখি। বয়স ৩০ বছর। সবে একটি কম্পিউটার সেন্টার শুরু করেছেন। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহকারি প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসাবেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বিজ্ঞানে স্নাতক ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা শেষ করে সবে চাকরিতে ঢুকেছেন। বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা চলছিল। তাঁর দাবি ওই এনজিওর জন্য মেডিক্যাল ক্যাম্প আয়োজনের ব্যাপারে তিনি গুজরাট গিয়েছিলেন। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ১৯শে জুন ভাদোদারা জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। ২৩ জুন ফেরেন কাশ্মীরে। মাঝে কেটে গিয়েছে এতগুলো বছর। 

|#+|

তিনি বলেন, 'আমার সঙ্গে যেটা হয়েছিল তা ভয়াবহ। একটা বড় বিপর্যয়।কেন আমাকে গ্রেফতার করা হল সেটাই মাসের পর মাস জানতে পারলাম না। ভবিষ্যতে কী করব এনিয়ে যখন ভাবছি তখনই পুলিশ তুলে নিল। তবে আমার বিশ্বাস ছিল আমি নিরাপরাধ। মুক্তি আমি পাবই।' কিন্তু বাবার মৃত্যুর তিন মাস পর যখন জানতে পেরেছিলাম বাবা নেই, একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম। তবে জেলে বসেই পাবলিক অ্য়াডমিনিস্ট্রেশনে এমএ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি মুসলিম। জানতাম জেলে যাওয়া আমার ভাগ্যে লেখা আছে। তবু আশা ছাড়িনি। বাইরে থাকলে হয়তো পড়াশোনাটাও করতে পারতাম না।’ তবে তাঁর দীর্ঘ কারাবাস গোটা সংসারটাকে একেবারে অথৈ জলে ফেলে দিয়েছে। আপাতত দাদার দোকানে সাহায্য করতে চায় বসির আহমেদ বাবা।

 

 

বন্ধ করুন