HT বাংলা থেকে সেরা খবর পড়ার জন্য ‘অনুমতি’ বিকল্প বেছে নিন
বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘‌চিপ লাগানো যে কোনও মেশিন হ্যাক করা সম্ভব’‌, হারের পর বিস্ফোরক তত্ত্ব দিগ্বিজয় সিংয়ের

‘‌চিপ লাগানো যে কোনও মেশিন হ্যাক করা সম্ভব’‌, হারের পর বিস্ফোরক তত্ত্ব দিগ্বিজয় সিংয়ের

মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। আর তারাই ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। তবে রাজস্থান এবং ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের সরকার ছিল। এই দুটি রাজ্যেই হেরেছে কংগ্রেস। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। চার রাজ্যের ফলাফল প্রকাশের পরই বন্ধু দল প্রশ্ন তুলছে জয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। বিরোধীদের মধ্যে বিজেপির জয় নিয়ে একটাই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে।

দিগ্বিজয় সিং। (ছবি, সৌজন্য সোনু মেহতা/হিন্দুস্তান টাইমস)

সদ্য তিন রাজ্যে গোহারা হয়েছে কংগ্রেস। আর সেখানের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু এই হার মেনে নিতে নারাজ কংগ্রেস। তাই এবার নয়া তত্ত্ব আউড়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা মধ্যপ্রদেশের পরাজয়ের পর অভিযোগ করেছেন, চিপ লাগানো যে কোনও মেশিন হ্যাক করা সম্ভব। ২০০৩ সাল থেকে এই ইভিএম প্রক্রিয়ায় ভোটের বিরোধিতা করে আসছেন দিগ্বিজয়। এই নিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য এক্স হ্যান্ডেলেও তুলে ধরেছেন। আর এই অভিযোগ করার পর থেকেই জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে বিরোধীদের মধ্যে বিজেপির জয় নিয়ে একটাই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হল—‘‌অবিশ্বাস্য’‌।

এদিকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, মোদী ম্যাজিকেই এমন জয়? চার রাজ্যের ফলাফল প্রকাশের পরই বন্ধু দল প্রশ্ন তুলছে জয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমো মায়াবতী দীর্ঘ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘একসঙ্গে সব রাজ্যেই এরকম জয় নিয়ে মানুষের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। মানুষের ধারণা ছিল, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। কিন্তু কোথাও কোনও বিরোধী পক্ষ লড়াই করতে পারল না। আর সবাই কি মানুষের মনের কথা বুঝতে ভুল করল? এমন অবিশ্বাস্য ফল নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে, আর সেই প্রশ্নের জবাব না পাওয়া যায়, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।’ কিন্তু ফলাফল নিয়ে আজ, মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা কমলনাথ বলেন, ‘‌এই ফলাফল খুব অবাক করার মতো। কিছু প্রাক্তন বিধায়ক অভিযোগ করেছেন, নিজের গ্রামে ৫০টি ভোট পায়নি তাঁরা। এই ফলাফলের পিছনে কোনও যান্ত্রিক কারচুপি করা হয়েছে।’‌

অন্যদিকে এই ফলাফল বিরোধীদের কাছে অবিশ্বাস্য লাগতে শুরু করলেও বিজেপি তাতে কর্ণপাত করতে নারাজ। সেখানে উদ্ধব ঠাকরের দলের মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেছেন, ‘এই জয় ইভিএমের জয়। ইভিএমের এই জয়ের জন্য বিজেপিকে অনেক অভিনন্দন। ইভিএম নিয়ে যদি এত প্রশ্ন ওঠে, তাহলে বিজেপি সামান্য একটা সোজা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না কেন? আগামী লোকসভা বা কোনও একটি বিধানসভা ভোট হোক ব্যালট পেপারে। যদি বিজেপি একইরকম সাফল্য পায়, তাহলে তো প্রমাণ হয়ে যাবে যে ইভিএম নিয়ে সন্দেহ অমূলক।’ বিশিষ্ট সাংবাদিক রবি নায়ার তাঁর এক লেখায় লেখেন, ইভিএম ফুলপ্রুফ নয়। আর তা গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ নয়। এটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢাল করেছেন দিগ্বিজয় সিং।

আরও পড়ুন:‌ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে তৎপর ফিরহাদ হাকিম, কলকাতা পুরসভার গাড়ি চলবে সিএনজিতে

ঠিক কী লিখেছেন কংগ্রেস নেতা?‌ মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। আর তারাই ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। তবে রাজস্থান এবং ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের সরকার ছিল। এই দুটি রাজ্যেই হেরেছে কংগ্রেস। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। এই ফলাফলের পর প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‌চিপ লাগানো যে কোনও মেশিন হ্যাক করা যায়। আমি ইভিএমে ভোট করার বিরোধিতা করে আসছি ২০০৩ সাল থেকে। আমরা কি দেশের গণতন্ত্র পেশাদার হ্যাকারদের কন্ট্রোলে থাকার অনুমতি দেব!‌ এটা একটা মৌলিক প্রশ্ন যা সব রাজনৈতিক দলকে এখন ভাবতে হবে। নির্বাচন কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্ট দয়া করে আমাদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করবেন?‌’‌

ঘরে বাইরে খবর