বাড়ি > ঘরে বাইরে > চিন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে আমেরিকা থেকে ৭২,০০০ অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার পথে সেনা
চিন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে আমেরিকা থেকে ৭২,০০০ অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার পথে সেনা (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য টুইটার)
চিন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে আমেরিকা থেকে ৭২,০০০ অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার পথে সেনা (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য টুইটার)

চিন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে আমেরিকা থেকে ৭২,০০০ অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার পথে সেনা

  • গত বছর আমেরিকাকে ৭২,৪০০ টি অ্যাসল্ট রাইফেলের বরাত দেওয়া হয়েছিল।

রাহুল সিং

এখনও উত্তপ্ত পূর্ব লাদাখের সীমান্ত পরিস্থিতি। তারইমধ্যে আমেরিকা থেকে বাড়তি ৭২,০০০ সিগ সয়ার অ্যাসল্ট রাইফেল কেনার তোড়জোড় করছে ভারতীয় সেনা। রবিবার একথা জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

এক আধিকারিক জানান, গত বছর আমেরিকাকে ৭২,৪০০ টি অ্যাসল্ট রাইফেলের বরাত দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সালের গোড়ার দিকে ৭০০ কোটি টাকার সেই চুক্তি সই করেছিল ভারত। প্রতিরক্ষার সরঞ্জাম কেনার নিয়মের আওতায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রসিডিওর (এফটিপি)’-এর মাধ্যমেই সেই বরাত দেওয়া হয়েছিল। এবারও  জরুরি প্রয়োজনীয়তা মেটাতে অস্ত্র কেনার নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা প্রয়োগ করে রাইফেল কেনার তোড়জোড় করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, সেনার আট লাখ অ্যাসল্ট রাইফেলের চাহিদা পূরণের জন্য সিগ সয়ার কেনা হচ্ছে। নয়া রাইফেল ভারতের হাতে এলে ধাপে ধাপে একাধিক সীমাবদ্ধতা থাকা ৫.৫৬ এমএম ইনসাস রাইফেল তুলে নেওয়া হবে। যা ২২ বছর আগে ব্যবহার করা শুরু করেছে সেনা। বাকি চাহিদা মেটানো হবে আমেঠির করওয়াতে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে তৈরি একে-২০৩ অ্য়াসল্ট রাইফেলের মাধ্যমে। তৃতীয় আধিকারিক জানান, সেই রাইফেল কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আপাতত দাম নিয়ে আলোচনা চলছে। 

সিগ সয়ার অ্য়াসল্ট রাইফেল কেনার পাশাপাশি বন্দুকের জন্য আমেরিকা থেকে এক্সক্যালিবার নির্ভুল অস্ত্রের বরাত দিয়েছে ভারত। একইসঙ্গে গত মাসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মস্কো সফরে দ্রুত অস্ত্র এবং গোলাগুলি পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছে রাশিয়া।

ভারত-চিন সামরিক বৈঠক

পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চলতি সপ্তাহে ফের বৈঠক করতে পারে ভারতীয় এবং চিনা সেনা। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আপাতত বৈঠকের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হচ্ছে। কোর কমান্ডার পর্যায়ের সেই বৈঠকে গুরুত্বরপূর্ণ ফিঙ্গার এরিয়া এবং ডেসপ্যাং এলাকা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা। তারপর সেনা সরানোর পরবর্তী পর্যায় শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

বন্ধ করুন