বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > চার ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশন, মহারাষ্ট্রে স্কুলের ক্যান্টিন থেকে উদ্ধার চিতা
চার ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশন, মহারাষ্ট্রে স্কুলের ক্যান্টিন থেকে উদ্ধার চিতা: ছবি (‌স্ক্রিন শর্ট)‌
চার ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশন, মহারাষ্ট্রে স্কুলের ক্যান্টিন থেকে উদ্ধার চিতা: ছবি (‌স্ক্রিন শর্ট)‌

চার ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশন, মহারাষ্ট্রে স্কুলের ক্যান্টিন থেকে উদ্ধার চিতা

প্রথমে ক্যান্টিনের সমস্ত দরজা জানালা ভালো করে বন্ধ করা হয়।

মহামারীর দাপটে এখন স্কুল ‌বন্ধ। ২ বছর ধরে সমস্ত ক্লাসঘর ফাঁকা। পড়ুয়াদের কোলাহল শূন্য। সেই সুযোগে একেবারে স্কুলের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়ল চিতা। ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে।

চার ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অপারেশন চালিয়ে অক্ষত অবস্থায় চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করা হল। এই পুরো কর্মকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার কাছে একটি গ্রামের স্কুল ক্যান্টিনে। সবার অলক্ষ্যেই ওই প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ চিতাবাঘটি স্কুলের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়ে। খবর যায় বন দফতর ও ওয়াইল্ড লাইফ এসওএস নামের প্রাণী উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে। যৌথ উদ্যোগে চিতাটিকে ধরতে বেরিয়ে পড়েন উদ্ধারকারীরা। এই নিয়ে ২৪ জুলাই বিস্তারিত একটি ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছে প্রাণী উদ্ধারকারী সংস্থা। তাতে পুরো অপারেশন কীভাবে চালানো হয়েছে, তার পৃঙ্খানুপুঙ্খু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এই ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনরা উদ্ধারকারী দলের ঢেলে প্রশংসাও করেছেন।ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, উদ্ধারকাজ চালানোর সময় যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করে ৫ সদস্যের উদ্ধারকারী দলটি। চিতাটিকে ধরার জন্য বিশেষ ধরনের পোশাক পরে নেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

প্রথমে ক্যান্টিনের সমস্ত দরজা জানালা ভালো করে বন্ধ করা হয়। সুরক্ষার জন্য বাইরে থেকে অতিরিক্ত জিনিস চাপিয়ে দরজা বন্ধ করা হয়। ভিতরে আটকা পড়ে তর্জন গর্জন করতে থাকে বাঘটি। ঘরের ভিতর যেখানে চিতাবাঘটি পায়চারি করছিল, সেখানকার দেওয়াল বাইরে থেকে ফুঁটো করে ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশন ছোড়া হয়। তাতেই কাবু হয়ে যায় চিতাটি। তারপর ঘুমিয়ে পড়তেই তাকে জালের মধ্যে পেঁচিয়ে খাঁচায় করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভিডিয়োটি ক্লিপটি প্রকাশ্যে আসতেই সেটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত ১২,৯৬৯টি ভিউ ও নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া আদায় করেছে এই ক্লিপিংটি। ইনস্টাগ্রামের চ্যাট বক্সে নেটিজেনদের প্রশংসার বন্যা বয়ে গিয়েছে।

বন্ধ করুন