বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Digital India Awards: 'দুয়ারে সরকার'-কে কেন্দ্রের কুর্নিশ, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্মারক নিলেন চন্দ্রিমা

Digital India Awards: 'দুয়ারে সরকার'-কে কেন্দ্রের কুর্নিশ, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্মারক নিলেন চন্দ্রিমা

রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্মারক নিচ্ছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (টুইটার)

অ্যাপ ও ডিজিট্যাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প ইতিমধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাকে স্বীকৃতি দিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এই পুরস্কার দিল।

আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, এবার রাজ্য সরকারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হল। কেন্দ্রের প্লাটিনাম ডিজিটাল পুরস্কারে সম্মানিত হল দুয়ারে সরকার প্রকল্প। শনিবার নয়াদিল্লির বিজ্ঞানভবনে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাতে পুরস্কার হিসাবে স্মারক ও শংসাপত্র তুলে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

অ্যাপ ও ডিজিট্যাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প ইতিমধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাকে স্বীকৃতি দিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এই পুরস্কার দিল।

পুরস্কার নিয়ে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নজির তৈরি করেছে দুয়ারে সরকার প্রকল্প। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাজ্যবাসীকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দিত দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা নিয়েছে দুয়ারে সরকার। তাই যোগ্য হিসাবে কেন্দ্র একে পুরস্কার দিয়েছে।'

এক ছাতার তলায় বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দুয়ারে সরকার প্রকল্প আনা হয়। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করে হাজির হন সরকারি আধিকারিকরা। এই ক্যাম্পের দিন ক্ষণ আগে ভাগেই জানিয়ে দেওয়া হয় একই সঙ্গে আবেদন করার পর প্রকল্পের সুবিধা কতদিনের মধ্যে পাওয়া যাবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়। দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে মানবিক, কৃষক বন্ধু, ঐক্যশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত তথ্য, আধার সংক্রান্ত তথ্য, জমির মিউটেশন সংক্রান্ত তথ্য, বিনামূল্য সামাজিক সুরক্ষা যোজনা, প্রতিবন্ধীদের শংসাপত্র সংক্রান্ত আবেদন, মৎস্যজীবী ক্রেডিট কার্ড, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ দফতরের কিসান ক্রেডিট কার্ড, ওয়েবার ক্রেডিট কার্ড, স্বনির্ভর গোষ্ঠীরগুলির ক্রেডিট লিঙ্ক, কৃষির পরিকাঠামো সংক্রান্ত তথ্য, মৎস্যজীবীদের রেজিস্ট্রেশন-এর মতো পরিষেবাগুলি। শুরুতে ২৫টি পরিষেবা পাওয়া যেত। তবে গত ডিসেম্বর মাসে তা বাড়িয়ে করা ২৭টি। জনপ্রিয়তার কারণ একাধিকবার ক্যাম্পের সময় সীমা বাড়ানো হয়।

মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কথায়,'২০২০ সালে ১ ডিসেম্বর থেকে এই প্রকল্প শুরু হয়। মোট পাঁচ দফায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছিল। সেই ক্যাম্পে আগতদের সংখ্যা প্য়ার ৯ কোটি। মোট ৭.৮ কোটি আবেদন জমা পড়ে যার মধ্যে ৬ কোটি ৭০ লক্ষ মানুষকে পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়। এই সংখ্যাকে অস্বীকার করবে কী করে। বিরোধীরা প্রকল্পকে যতই কটাক্ষ করুক, কেন্দ্র আমাদের সম্মানিত করল।'

বন্ধ করুন