বুধবার হর কি পৌড়িতে গঙ্গারতি দর্শনে হাজির মাস্কপরা তীর্থযাত্রীরা। ছবি: এএনআই।
বুধবার হর কি পৌড়িতে গঙ্গারতি দর্শনে হাজির মাস্কপরা তীর্থযাত্রীরা। ছবি: এএনআই।

বাড়ি ফিরতে না পেরে মমতাকেই দূষছেন হরিদ্বারে আটকে পড়া বাঙালি তীর্থযাত্রীরা

  • যাতায়াতের খরচ দেওয়া দূরস্থান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের অবস্থা সম্পর্কে খবরই নেননি।

পশ্চিমবঙ্গে ফিরতে না পারার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করে হরিদ্বারে বিক্ষোভ দেখালেন ৪৫০ বাঙালি তীর্থযাত্রী।

গত কয়েক দিন ধরে হরিদ্বারের বিষ্ণুঘাট গঙ্গাঘাট অঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন লকডাউনে প্রায় ৪০ দিন এই তীর্থক্ষেত্রে আটকে পড়া বাংলার তীর্থযাত্রীরা। নগর দায়রা বিচারপতির দফতরের মাধ্যমে নিজেদের দুরবস্থার কথা পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও পর্যটন দফতরের কানে তোলার চেষ্টা করেছেন তাঁরা।

এ ছাড়া জেলা পর্যটন আধিকারিক সীমা নৌটিয়ালের মাধ্যমে নিজেদের রাজ্যে ফেরার জন্য একটি যৌথ আবেদনপত্রও বাংলার সরকারকে পাঠিয়েছেন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া বাঙালিরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সাড়া দেয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

হরিদ্বারে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ক্ষুব্ধ তীর্থযাত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘বাড়িতে ফেরার অনুমতি দিচ্ছেন না আমাদেরই রাজ্য সরকার। ফলে আমরা এক রকম শরণার্থীর জীবন যাপন করছি। যাতায়াতের খরচ দেওয়া দূরস্থান, আমরা নিজেরাই তা বহন করব, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের অবস্থা সম্পর্কে খবরই নেননি।’

স্থানীয় তহসিলদার আশিস ঘিলডিয়াল জানিয়েছেন, যে হেতু পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া রাজ্যবাসীকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি, সেই কারণে তাঁদের আর এগোতে দেওয়া হয়নি। 

অন্য দিকে স্থানীয় রাধেকৃষ্ণ আশ্রমের আধ্যাত্মিক প্রধান সতপাল ব্রহ্মচারী জানিয়েছেন, লকডাউন তুলে না দেওয়া পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ভিনরাজ্যের তীর্থযাত্রী ও কর্মীদের তাঁদের সংগঠনের তরফে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ করবে।   

 

বন্ধ করুন