বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Swiggy delivery agent: এক সপ্তাহ খাইনি, হেঁটেই ফুড ডেলিভারি B-tech সুইগি এজেন্টের, পাশে থাকল নেটপাড়া

Swiggy delivery agent: এক সপ্তাহ খাইনি, হেঁটেই ফুড ডেলিভারি B-tech সুইগি এজেন্টের, পাশে থাকল নেটপাড়া

সুইগি ডেলিভারি এজেন্ট। ছবি সৌজন্যে প্রিয়দর্শিনী চান্ডেল লিঙ্কেডিন

দুঃখের কথা শুনে প্রিয়াংশী তাঁকে একগ্লাস জল আর ৫০০ টাকা দেন। তাঁর কথা তিনি লিঙ্কেডিনে তুলে ধরেছিলেন। সেই সঙ্গেই ওই যুবকের ছবি, বায়োডাটা সহ যাবতীয় বিররণ তুলে ধরে তিনি আবেদন করেছিলেন কোনও কাজ থাকলে একটু সহায়তা করবেন।

আরফা জাভেদ

অনেকেই এখন অনলাইনে খাবার অর্ডার করেন। অর্ডার করলে ঝটাপট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্য়ে পছন্দের ডিশ পৌঁছে যায়। তবে অনেক সময় আবার তেমনটা হয় না। খাবার পেতে বেশ অপেক্ষা করতে হয়। 

ফ্ল্যাশ বলে একটি টেক কোম্পানি রয়েছে। তার মার্কেটিং ম্যানেজার হলেন প্রিয়াংশী চান্ডেল। তিনি সুইগিতে একটি আইসক্রিম অর্ডার করেছিলেন। এদিকে বেশ দেরিতেই এসেছিল ওই অর্ডার। রীতিমতো হাঁফাচ্ছিলেন ওই সুইগি বয়। 

কথায় কথায় ওই ডেলিভারি ম্যানকে এত দেরির কারণ জিজ্ঞাসা করেছিলেন প্রিয়াংশী। তিনি জানতে পারেন আসলে ওই ডেলিভারি ম্যানের নাম সাহিল সিং। তিনি বিটেক গ্র্য়াজুয়েট। কাজ হারানোর পরে তিনি ডেলিভারি ম্য়ান হিসাবে এখন কাজ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ম্যাডাম আমার কাছে কোনও স্কুটি নেই। আমি তিন কিমি হেঁটে এসেছি। আমার কাছে কোনও টাকা নেই। আমার ফ্ল্যাটমেট শেষ টাকাটাও নিয়ে নিয়েছে। ২৩৫ টাকা ধার রয়েছে আমার। ভাড়া দেওয়ার টাকাও নেই। 

তিনি জানিয়েছিলেন এর আগে তিনি বাইজু ও নিনজাকার্টে কাজ করতেন। তিনি বলেন, এই ডেলিভারি দিয়ে ২০-২৫টাকা পাব। ১২টার মধ্যে আর একটা ডেলিভারি করতে হবে। এক সপ্তাহ ধরে কিছু খাইনি। শুধু জল আর চা খেয়ে আছি। আমি কিছু চাই না। শুধু একটা কাজ। আগে আমি ২৫ হাজার টাকা আয় করতাম। এখন বাবা মায়ের কাছেও আর টাকা চাইতে পারি না। তাদেরও বয়স হয়েছে। 

এই দুঃখের কথা শুনে প্রিয়াংশী তাঁকে একগ্লাস জল আর ৫০০ টাকা দেন। তাঁর কথা তিনি লিঙ্কেডিনে তুলে ধরেছিলেন। সেই সঙ্গেই ওই যুবকের ছবি, বায়োডাটা সহ যাবতীয় বিররণ তুলে ধরে তিনি আবেদন করেছিলেন কোনও কাজ থাকলে একটু সহায়তা করবেন। 

এরপর ঝড় ওঠে নেটপাড়ায়। প্রায় ১৩৮০০ মন্তব্য। প্রচুর শেয়ার। আর শেষ পর্যন্ত প্রিয়াংশী লিখেছেন, সাহিল কাজ পেয়েছেন। সকলকে ধন্যবাদ। আপনারা খুব ভালো। 

আসলে কাশ্মীরের বাসিন্দা সাহিল। তিনি একটা সময় বড় কোম্পানিতে কাজ করতেন। কিন্তু কাজ যাওয়ার পরে তিনি ডেলিভারির কাজ শুরু করেছিলেন। একটা স্কুটিও নেই। তাই তিনি হেঁটে ডেলিভারি দিতেন। সারা দিন না খেয়ে শুধু ছুটে চলা। সেই সাহিল অবশেষে কাজ পেলেন। তাঁর জন্য কাজ খুঁজতে কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন লিঙ্কেডিনের সদস্যরা। এভাবে বিপদের দিনে সাহিলের পাশে থাকল নেটপাড়া। 

 

 

 

 

 

 

 

ঘরে বাইরে খবর
বন্ধ করুন

Latest News

রবি-সোমে ঝড়বৃষ্টি বাংলায়, সতর্কতা জারি শনিতেও, কোন জেলায় কত বেগে ঝোড়ো হাওয়া? সন্দেশখালির বোনেদের সঙ্গে যা করেছে TMC, তা দেখে কাঁদছে রামমোহন রায়ের আত্মা: মোদী IPL 2024: লান্স ক্লুজনারকে সহকারী কোচ হিসেবে নিযুক্ত করল LSG AI নিয়ে রাহুলকে প্রশ্ন তরুণের, উত্তর শুনে ট্রোল নেটপাড়ার, ‘না জেনেই রচনা লিখল’ পিরিতির ফুল ফুটে… পায়ে হাওয়াই চটি, পাশে ডোনা-রচনা, ঝুমুরের তালে জমিয়ে নাচ মমতার ‘গণধর্ষণ’ করে ব্ল্যাকমেলিং! যোগীরাজ্যে গাছ থেকে উদ্ধার দুই কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ পুলিশের সামনে দাপট! ইডির হাত থেকে রেহাই পেতে মরিয়া শাহজাহান, আগাম জামিনের আবেদন জমাট জুটি ধাওয়ান-কার্তিকের, শাহবাজদের বিরুদ্ধে '১০ ওভারেই' জয় ডিওয়াই পাতিল ব্লুর চুপিসাড়ে বিয়ের পর রায় পরিবারে বধূবরণ! সত্যজিতের নাতির রিসেপশনের প্রথম ছবি শ্রেয়স এবং ইশান কেন্দ্রীয় চুক্তি ফিরে পেতে পারেন, কী ভাবে? জানালেন BCCI-এর কর্তা

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.