বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Citizenship: ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে প্রমাণ দিতে হবে নাগরিকত্বের! নোটিস ঘিরে মোদীকে চিঠি তৃণমূল সাংসদের
তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য় সুস্মিতা দেব (PTI Photo) (PTI)

Citizenship: ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে প্রমাণ দিতে হবে নাগরিকত্বের! নোটিস ঘিরে মোদীকে চিঠি তৃণমূল সাংসদের

  • অসমের কাটোগোরা বিধানসভা কেন্দ্রের হরিটিকার-১ এলাকার বাসিন্দা অকোলরানি। তাঁর ছেলে ২০১২ সালে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। সেবার ডি ভোটার কার্ড হাতে পাওয়ায় আত্মহননের রাস্তায় যান অকোলরানির পুত্র। এরপর গতমাসে অকোলের নাগরিকত্ব প্রমাণ নিয়ে নোটিস আসে ফরেনার্স ট্রিবিউনালের তরফে। ৮০ এর বৃদ্ধাকে ৫ মার্চ ২০২২ আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় সেখানে। প্রথম দিনে হাজিরা দিতে না পারায় ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল ফের একবার আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিতে বলে ট্রিবিউনাল।

অসমের ফরেন ট্রিবিউনালের তরফে ৮০ বছরের বৃদ্ধা অকোলরানি নমশূদ্রের কাছে পাঠানো হয়েছে নোটিস। নোটিসে এই বৃদ্ধাকে তাঁর ভারতীয় নাগরিক হওয়ার প্রমাণ পেশ করতে বলা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব। বিষয়টি নিয়ে কড়া আক্রমণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লেখেন তিনি।

অসমের কাটোগোরা বিধানসভা কেন্দ্রের হরিটিকার-১ এলাকার বাসিন্দা অকোলরানি। তাঁর ছেলে ২০১২ সালে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন। সেবার ডি ভোটার কার্ড হাতে পাওয়ায় আত্মহননের রাস্তায় যান অকোলরানির পুত্র। এরপর গতমাসে অকোলের নাগরিকত্ব প্রমাণ নিয়ে নোটিস আসে ফরেনার্স ট্রিবিউনালের তরফে। ৮০ এর বৃদ্ধাকে ৫ মার্চ ২০২২ আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয় সেখানে। প্রথম দিনে হাজিরা দিতে না পারায় ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল ফের একবার আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিতে বলে ট্রিবিউনাল। নোটিসে অকোলরানিকে 'সন্দেহজনক বিদেশী' নাগরিক আখ্যা দেওয়া হয়, কারণ অকোল বৈধ নাগরিকত্বের নথি পুলিশের সামনে পেশ করতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে মোদীকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা দেব বলেন, ' অসমের বাসিন্দাদের নিয়ে অসম পুলিশ তদন্ত করছে, কোন খাতে, বিষয়টি প্রশ্নযোগ্য, অসম পুলিশ যাঁদেরই নোটিস পাঠিয়েছে, তাঁদের বেশিরভাগই ভারতীয় হিসাবে প্রমাণিত হয়েছেন।' এরপরই মোদীকে প্রবল কটাক্ষের সুরে চিঠিতে সুস্মিতা লেখেন, '২০১৪ সালে আপনার রাখা বক্তব্য ফাঁকা প্রমাণিত হবে না আশা করি। আপনি বলেছিলেন অর্জুন নমশূত্র আপনার ভাই। আর কোনও নমশূদ্রকেই ভয়ে বাঁচতে হবে না যদি আপনার সরকার আসে। এখন তাঁর মা সেই একই নোটিস পাচ্ছেব যখন তাঁর বাবার রয়এছে ১৯৫৬ সালের সিটিজেনশিপ কার্ড। আশা করব আপনার ২০১৪ সালে নির্বাচনী সভায় রাখা বক্তব্য ফাঁকা আওয়াজ ছিল না।'

অকোল রানির হয়ে শিলচরের নামী আইনজীবী অনিল দে আইনি লড়াইতে নামছেন। এদিকে, বিজেপির সাংসদ রাজদীপ রায় জানিয়েছেন, যখন পরিবারের কাছে রয়েছে পরিচয়পত্র, তখন আরও একবার নোটিস কীভাবে পেতে পারেন পরিবারেরই আরও এক সদস্য? তিনি বলেন, 'মোদীজি নিজে ওই পরিবারকে রক্ষার বার্তা দিয়েছেন। তারপর এটা আমাদের দায়িত্ব ওই পরিবারকে রক্ষা করা।' এদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা দেব লেখেন, অসমের বুকের কোটি কোটি মানুষ এনআরসি নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন। এনআরসি তালিকাভূক্তদেরও যে ধোঁয়াশা যাঁরা তালিকার বাইরে তাঁদের ক্ষেত্রেও রয়েছে বহু উদ্বেগ।

বন্ধ করুন