বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > শীতে বাড়বে সংক্রমণ, বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আমদানি করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক
আমদানি করা এক লাখ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন মজুত থাকবে এক মাসের অতিরিক্ত স্টক হিসেবে।
আমদানি করা এক লাখ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন মজুত থাকবে এক মাসের অতিরিক্ত স্টক হিসেবে।

শীতে বাড়বে সংক্রমণ, বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আমদানি করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক

  • তরল অক্সিজেন কেনার জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এইচএলএল লাইফকেয়ার লিমিটেড।

শীতে কোভিড সংক্রমণের হার বাড়লে যাতে জোগানে টান না পড়ে, সে কথা চিন্তা করে বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আমদানির সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

বুধবার সেই উদ্দেশে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক লাখ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন কেনার জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ সংস্থা এইচএলএল লাইফকেয়ার লিমিটেড। 

বিভিন্ন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি হাসপাতালের চাহিদা পূর্ণ করতে প্রতিদিন তরল অক্সিজেন প্রয়োজন। বিদেশ থেকে তরল অক্সিজেন আমদানি ও সরবরাহে আনুমানিক ৬০০-৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে।

মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৩.৯৭% রয়েছেন অক্সিজেন সাপোর্টে, ২.৪৬% রয়েছেন আইসিইউ বিভাগে অক্সিজেন সাপোর্টে এবং ০.৪০% ভরতি রয়েছেন ভেন্টিলেটর সাপোর্টে। 

লকডাউন আরোপ হওয়ার আগে গত মার্চ মাসের গোড়ায় ভারত প্রতিদিন ৬,৪০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন উৎপাদনে সক্ষম ছিল। এর মধ্যে ১,০০০ মেট্রিক টন স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যবহার করা হলেও বাকিটা অক্সিজেন শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

কেন্দ্রীয় সরকার আনলক প্রক্রিয়া শুরু করার পরে শিল্পক্ষেত্রে ফের ব্যস্ততা দেখা দিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের দৈনিক অক্সিজেন উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭,০০০ মেট্রিক টন। তার মধ্যে ৩,০৯৪ মেট্রিক টন কোভিড আক্রান্ত এবং অন্যান্য রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়েছে। এই পরিমাণ তরল অক্সিজেনেরই এখনও প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।

বিদেশথেকে আমদানি করা এক লাখ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন মজুত থাকবে এক মাসের অতিরিক্ত স্টক হিসেবে। বিশেষ করে শীতে সংক্রমণের মাত্রা বাড়বে, এই আশঙ্কাতেই অক্সিজেন মজুত করার পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

বন্ধ করুন