বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > WFH Fraud: ঘরে বসে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে ৮০ কোটির প্রতারণা, ফাঁদে ১০০০ মহিলা

WFH Fraud: ঘরে বসে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে ৮০ কোটির প্রতারণা, ফাঁদে ১০০০ মহিলা

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে একের পর এক মহিলার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ। প্রতীকী ছবি 

অ্য়াসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ (সাইবার) প্রিয়াংশু দিওয়ান জানিয়েছেন, গৃহবধূদের সঙ্গেও তারা প্রতারণা করত। তারা মোটা টাকার টোপ দিত। বাড়িতে বসে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে এই টোপ দেওয়া হত।

লীনা ধনখড়

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে একের পর এক মহিলার সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ। ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের কাছে এনিয়ে একাধিক অভিযোগ। পুলিশ এই ঘটনায় একটি চক্রেরও সন্ধান পেয়েছে। এদিকে ডিএলএফের বাসিন্দা ৩০ বছর বয়সী মহিলা দাবি করেছিলেন, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁর কাছ থেকে প্রায় ২.৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনায় গুরুগ্রাম পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা চারজন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, রাজধানীতে ১০০০ জন মহিলার সঙ্গে এই প্রতারণা করা হয়েছে। প্রায় ৮০ কোটি টাকা তারা বাজার থেকে তুলেছে বলে মনে করছে পুলিশ। অনলাইনে মুভির রেটিং করানোর কাজ দেওয়া হবে এই কথা বলেও টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলায় প্রায় ১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অ্য়াসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ (সাইবার) প্রিয়াংশু দিওয়ান জানিয়েছেন, গৃহবধূদের সঙ্গেও তারা প্রতারণা করত। তারা মোটা টাকার টোপ দিত। বাড়িতে বসে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে এই টোপ দেওয়া হত। তার বিনিময়ে তাদের একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হত। তারপরই ওই অ্য়াপে টাকা বিনিয়োগ করতে বলত প্রতারকরা। আর তারপরই সেই টাকা নিয়ে হাওয়া হয়ে যেত তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম দিকে কম টাকা বিনিয়োগ করার জন্য বলত। পরে সেই টাকা ফেরৎও দেওয়া হত। এরপর বেশি টাকা বিনিয়োগ করার জন্য বলা হত। আর সেই টাকা বিনিয়োগ করার পরেই শুরু হত আসল খেলা। সেই টাকা ফেরৎ নেওয়ার জন্য আরও টাকা চাইত তারা।

এদিকে পর্ন সাইটে তাদের নম্বর ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হত। সেকারণেই তারা এতদিন চুপচাপ ছিলেন। এদিকে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে নানা চ্যাট করা হত। এভাবেই পাতা হত ফাঁদ। তারপরই আসল খেলা।

তদন্তকারীদের দাবি, টেলিগ্রাম অ্যাপে তারা গ্রুপ খুলত। সেখানে দেখা যেত অনেকেই নিয়োগকর্তাদের প্রশংসা করছে। অর্থাৎ তার মাধ্যমে বিনিয়োগকারী মহিলাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করা হত। বাড়িতে বসে কাজ করার নাম করে মহিলাদের অ্য়াকাউন্ট থেকে বিপুল টাকা হাতিয়ে নেওয়া হত বলে অভিযোগ।

এক মহিলা জানিয়েছেন, ওই হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে ৮০০ জন সদস্য ছিলেন। বার বার মহিলারা দাবি করছিলেন টাকা ফেরৎ দিন। কিন্তু সেটাকে অস্বীকার করে বলা হত আরও টাকা বিনিয়োগ করুন। তবেই আগেরটা ফেরৎ পাওয়া যাবে।

 

বন্ধ করুন