বাংলা নিউজ > ময়দান > পা অকেজো হওয়ার পর প্রথম জলের মধ্যে কোনও সাহায্য ছাড়া হেঁটে উচ্ছ্বসিত কেয়ার্নস
চলছে ক্রিস কেয়ার্নসের রিহ্যাব।

পা অকেজো হওয়ার পর প্রথম জলের মধ্যে কোনও সাহায্য ছাড়া হেঁটে উচ্ছ্বসিত কেয়ার্নস

  • হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ক্যানবেরার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেয়ার্নস। পরে তাঁকে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালের লাইফ সাপোর্ট ইউনিটে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর হৃদযন্ত্রের মূল ধমনীতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সমস্যা মেটাতে তড়িঘড়ি কেয়ার্নসের হার্ট সার্জারি করা হয়।

প্রাণ বাঁচাতে হৃদযন্ত্রে আপত্কালীন অস্ত্রোপচার করাতে হয়। তবে জীবনদায়ি সেই জটিল অস্ত্রোপচারের সময়ই স্পাইনাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হন ক্রিস কেয়ার্নস। ফলে পাক্ষাঘাতে পা অকেজো হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটারের। তাঁর পক্ষে আবার আগের মতো হাঁটাচলা করাটাই বন্ধ হয়ে যায়। এমন কী বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, কেয়ার্নস আর কখনও হাঁটতেই পারবেন না। কিন্তু মনের জোর থাকলে বোধহয় অসাধ্যসাধন করা সম্ভব।

সম্প্রতি কেয়ার্নস একটি টুইট করেছেন। সেই টুইটে তিনি নিজের দু'টি ছবি দিয়েছেন। সেখানে দেখা গিয়েছে সুইমিংপুলের জলের মধ্যে হাঁটছেন ৫১ বছর বয়সী প্রাক্তন কিউয়ি অল-রাউন্ডার। এটি তাঁর রিহ্যাবেরই অঙ্গ। সেই ছবি দিয়ে ক্রিস কেয়ার্নস লিখেছেন, ‘রিহ্যাবের এটা সেরা দিন ছিল। প্রথম বার হাইড্রোথেরাপি পুল ব্যবহার করলাম। সেই সঙ্গে প্রথম বার সাহায্য ছাড়াই দাঁড়ালাম এবং পুলের মধ্যে হাঁটলাম/ভাসলাম! আমি শুনেছি স্বাধীনতা হল মনের অক্সিজেন... সাঁতার কাটতে পেরে এবং হাঁটতে পেরে আজ আমার মন সবচেয়ে বেশি মুক্ত ছিল।’

উল্লেখ্য, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ক্যানবেরার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেয়ার্নস। পরে তাঁকে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালের লাইফ সাপোর্ট ইউনিটে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর হৃদযন্ত্রের মূল ধমনীতে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সমস্যা মেটাতে তড়িঘড়ি কেয়ার্নসের হার্ট সার্জারি করা হয়। বেশ কিছুদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ক্যানবেরায় নিজের বাড়িতে ফেরেন তারকা ক্রিকেটার। তার পর থেকেই তাঁর রিহ্যাব চলছে।

নিজের সময়ের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার, ছিলেন কেয়ার্নস। নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনি ৬২টি টেস্ট, ২১৫টি ওয়ানডে এবং দু'টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।

বন্ধ করুন