বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবল > লেওয়ানডোস্কির বিতর্কিত গোলে ডর্টমুন্ডকে হারাল বায়ার্ন, রেফারিকে ম্যাচ ফিক্সার বলে বিপদে বেলিংহ্যাম
ডের ক্লাসিকেরে বায়ার্নের রবার্ট লেওয়ানডোস্কি এবং ডর্টমুন্ডের জুড বেলিংহ্যাম। ছবি- রয়টার্স। (REUTERS)

লেওয়ানডোস্কির বিতর্কিত গোলে ডর্টমুন্ডকে হারাল বায়ার্ন, রেফারিকে ম্যাচ ফিক্সার বলে বিপদে বেলিংহ্যাম

  • ৩-২ গোলে ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে বুন্দেশলিগার শীর্ষে নিজেদের দখল মজবুত করে বায়ার্ন।

শনিবার (৪ জিসেম্বর) জার্মানির বুন্দেশলিগার সবচেয়ে বড় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ এবং বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। প্রত্যাশামতোই এক টানটান উত্তেজক ম্যাচ উপহার দেয় দুই সবচেয়ে খ্যাতনামা জার্মান ক্লাব। ম্যাচে সাম্প্রতিক ধারা বজায় রেখে বায়ার্নই ৩-২ ম্যাচ জিতে নেয়। তবে ম্যাচের শেষ গোল নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

শেষ ১৫ মিনিটে ২-২ একেবারে ব্যালেন্সে ছিল ম্যাচ। দুই দলই সেই স্থান থেকে ম্যাচ জিততে পারত। তবে ম্যাচের ৭৬ মিনিটেই এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। বায়ার্নের কর্ণার থেকে বল ডি বক্সে থাকা ডর্টমুন্ড ডিফেন্ডার ম্যাটস হামেলসের হাতে এসে লাগে। রেফারি ভিএআরের সহায়তা নিয়ে পেনাল্টি দেন যা থেকে গোল করে দলকে ম্যাচ জেতান রবার্ট লেওয়ানডোস্কি। তবে সিদ্ধান্তটা যে বেশ বিতর্কিত ছিল বলাই যায়। রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায় হামেলস বক্সে ধাক্কা ধাক্কিতে হোঁচট খেয়ে প্রায় পড়ে যাওয়ার সময়ই বলটা তাঁর হাতে এসে লাগে, যার বিষয়ে তাঁর তেমন কোনো ধারণা ছিল না।

এমন অবস্থায় বল হাতে লাগলে সচারচর পেনাল্টি দেওয়া হয় না। কিন্তু রেফারি এক্ষেত্রে পেনাল্টি দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নেন। এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই নিজের ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি ডর্টমুন্ডের তরুণ ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। সাত-পাঁচ না ভেবে রেফারি ফেলিক্স জয়ারকে সরাসরি ম্যাচ-ফিক্সার বলে বসেন তিনি। ম্যাচের পর সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার মতে এটা কোনোভাবেই পেনাল্টি হতে পারে না। হামেলস তো বলের দিকে তাকিয়ে অবধি নেই, বরং বলটা এসেই ওর হাতে লাগে। ম্যাচে অনেক সিদ্ধান্তই বেশ বিতর্কিত ছিল। অবশ্য ম্যাচ ফিক্স করা এক রেফারিকে জার্মানির সবচেয়ে বড় ম্যাচের দায়িত্ব দিলে এমনটা ছাড়া আর কীই বা হবে।’

তবে এই বিতর্কিত মন্তব্যের পরে জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বেলিংহ্যাম। তাঁর এহেন মন্তব্যের কারণ পরীক্ষা করে যুক্তির স্বপক্ষে প্রমাণ না পেলে তাঁর শাস্তি অবধারিত। ম্যাচে এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ছাড়া ফুটবল কিন্তু বেশ উপভোগ্যই ছিল। মাত্র পাঁচ মিনিটে জুলিয়ান ব্র্যান্ড ডর্টমুন্ডকে এগিয়ে দেওয়ার পর রক্ষণের ভুলে লেওয়ানডোস্কি এবং কিংসলে কোম্যান গোল করে প্রথমার্থ শেষ হওয়ার আগেই বায়ার্নকে এগিয়ে দেন। বিরতির পরেই ৪৮ মিনিটে আরলিং হালান্ড দুরন্ত বাঁক খাওয়ানো শটে ডর্টমুন্ডকে সমতায় ফেরানোর পরেই লেওয়ানডোস্কির বিতর্কিত পেনাল্টি পান। এই ম্যাচ জিতে বায়ার্ন ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বজায় থাকল। চার পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ডর্টমুন্ড।

বন্ধ করুন