বাংলা নিউজ > ময়দান > আইপিএল-2021 > PSL-এর বায়ো-বাবল ভেঙে পড়ায় বলির পাঁঠা করা হয় মেডিক্যাল ইউনিটের প্রধানকে, সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য
বায়ো-বাবলে করোনা হানা দেওয়ায় আগেই স্থগিত হয়ে গিয়েছে পিএসএল। ছবি- টুইটার।
বায়ো-বাবলে করোনা হানা দেওয়ায় আগেই স্থগিত হয়ে গিয়েছে পিএসএল। ছবি- টুইটার।

PSL-এর বায়ো-বাবল ভেঙে পড়ায় বলির পাঁঠা করা হয় মেডিক্যাল ইউনিটের প্রধানকে, সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য

  • PCB কর্তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ঢাল করেন সোহেল সালিমকে।

করোনা মহামারির মাঝে দ্বি-পাক্ষিক আন্তর্জাতিক সিরিজের জন্য নিশ্ছিদ্র বায়ো-বাবল তৈরি করা সম্ভব। তবে পিএসএল, আইপিএলের মতো বড় টুর্নামেন্টে নিরাপদ বায়ো-বাবল তৈরি করা কতটা কঠিন, সেটা বোঝা গেল আরও একবার।

বায়ো-বাবলে করোনা হানা দেওয়ায় পাকিস্তান সুপার লিগ মাঝপথেই স্থগিত হয়ে যায়। এবার একই কারণে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগও বন্ধ হয়ে যায় অর্ধেক পথ অতিক্রম করেই।

পিএসএলে বায়ো-বাবল ভেঙে পড়ার পর হইচই হয়েছিল বিস্তর। আইপিএলেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় বিস্ফোরণ ঘটালেন ডাঃ সোহেল সালিম। উপমহাদেশে এতবড় টুর্নামেন্টের জন্য বায়ো-বাবল তৈরি করা যে কঠিন, আইপিএল ভেস্তে যাওয়ার পরেই সেটা তুলে ধরেন তিনি। আসলে তিনি বোঝাতে চাইলেন, বায়ো-বাবল ভাঙলে কোনও নির্দিষ্ট একজনের উপর দায় চাপানো উচিত নয়।

এই সোহেল সালিম হলেন পিসিবির মেডিক্যাল ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের প্রধান, যাঁকে পিএসএলের বায়ো-বাবল ভেঙে পড়ার জন্য দায়ি করা হয় এবং টুর্নামেন্ট ভেস্তে যাওয়ার পরে যিনি পিসিবির দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেন।

এতদিনে সোহেল জানালেন, পিএসএল স্থগিত হওয়ার পর তিনি নিজে থেকে ইস্তফা দেননি। তাঁকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। পাক বোর্ডের মেডিক্যাল টিমের প্রধানের পদ থেকে সরে না গেলে তাঁকে ছেঁটে ফেলা হতো। কার্যত তিনি বলতে চাইলেন যে, পিএলএস ভেস্তে যাওয়ার জন্য তাঁকে বলির পাঁঠা করা হয় এবং তাঁর ঘাড়ে কোপ ফেলেই বাকিরা নিজেদের ব্যর্থতা লুকোনোর চেষ্টা করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পাকিস্তান সুপার লিগ স্থগিত হওয়ার পর একমাত্র সালিমই পদত্যাগ করেন।

Geo News-কে সোহেল বলেন, ‘আমি নিজে থেকে ইস্তফা দিইনি। সত্যিটা হল, পিএসএল স্থগিত হওয়ার পর পিসিবির সিইও ওয়াসিম খান আমাকে ইস্তফা দিকে বলেন। আমি জানতাম, আমার সামনে কোনও বিকল্প নেই। যদি আমি সরে না যাই, তবে আমাকে ছেঁটে ফেলা হবে।’

সোহেল আরও দাবি করেন, পিএসএলের বায়ো-বাবল ভেঙে পড়ার জন্য তিনি এতটুকু দায়ি নন। দায়ি পিসিবি কর্তারাই। তাঁর কথায়, ‘আমি শুধু ব্লু-প্রিন্ট ছকে দিয়েছিলাম। পিসিবির দায়িত্ব ছিল বায়ো-বাবল পরিচালনার। যদি সেটা তাঁরা ভেঙে ফেলেন, তবে তার দায় পিসিবি কর্তাদের। আমার দায় নয়। কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজি বিজ্ঞাপনের জন্য শুটিং করার সময় আমি আপত্তি জানিয়েছিলাম। আরও কয়েকটি বিষয়ে আমি আপত্তি তুলেছিলাম। তবে কেউ আমার কথায় কান দেননি। অথচ আজও বায়ো-বাবল ভেঙে পড়ার জন্য আমাকে দায়ি করা হয়।’

বন্ধ করুন