বাড়ি > ময়দান > ৬ বারের চেষ্টায় বিশ্বকাপ জিতেছি, নিজের জীবনের গল্পে তারকা ফুটবলারকে উদ্বুদ্ধ করেন সচিন
কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলারদের সঙ্গে সচিন। ছবি- টুইটার।
কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলারদের সঙ্গে সচিন। ছবি- টুইটার।

৬ বারের চেষ্টায় বিশ্বকাপ জিতেছি, নিজের জীবনের গল্পে তারকা ফুটবলারকে উদ্বুদ্ধ করেন সচিন

  • তেন্ডুলকরের লক্ষ্যে পৌঁছনোর আগে না থামার মন্ত্রই ঘুরে দাঁড়ানোর রদস এনে দেয় জাতীয় ফুটবল দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডারকে।

'একবার ব্যর্থ হয়েই ভেঙে পোড়ো না। ছ'বার চেষ্টার পর তবে বিশ্বকাপ হাতে তুলতে পেরেছিলাম।' সচিন তেন্ডুলকরের এই কথাগুলোই কাউকে মানসিকভাবে উদ্দীপ্ত করার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করেন ভারতীয় ফুটবল দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সন্দেশ আলোচনা করছিলেন নিজের কেরিয়ার ও ফুটবলের নানান বিষয় নিয়ে। সেখানেই তিনি হদিশ দেন, কীভাবে তেন্ডুলকর তাঁকে এবং গোটা দলকে একদা হতাশা থেকে টেনে তুলেছিলেন। তিনি এও বলেন যে, সচিন তাঁর মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতার বীজ বুনে দিয়েছেন।

আইএসএলে কেরালা ব্লাস্টার্সের আংশিক মালিকানা যখন সচিন তেন্ডুলকরের হাতে ছিল, তখন দলের অন্যতম তারকা ছিলেন সন্দেশ। প্রথম আইএসএল ফাইনালে এটিকের কাছে পরাজিত হওয়ার পর দৃশ্যতই ভেঙে পড়েছিলেন ঝিঙ্গান। সেই সময় সচিন তাঁকে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি জোগান নিজের জীবনের গল্প শুনিয়ে। 

সচিনের ছোট্ট একটা তথ্য, যা টনিকের কাজ করেছিল সেদিন। শুধু সেদিনের জন্যই নয়, সন্দেশের মধ্যে পরবর্তী সময়ে কখনও হার না মানা মানসিকতা সঞ্চার করেছে তেন্ডুলকরের লক্ষ্যে পৌঁছনোর আগে না থামার মন্ত্র।

ঝিঙ্গান বলেন, ‘আইএসএলের প্রথম মরশুমের ফাইনালে এটিকের কাছে হেরে যাওয়া হৃদয় বিদারক ছিল। আমি অত্যন্ত হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। সচিন স্যার আমার কাছে এসে বলেন, সন্দেশ, ছ'বার চেষ্টার পরে আমি বিশ্বকাপ জিততে পেরেছিলাম। একবার হেরে গিয়েই তোমার ভেঙে পড়া উচিত নয়। কথাগুলো ম্যাজিকের মতো ছিল।’

ঝিঙ্গান আরও বলেন, 'সচিন স্যারের ইতিবাচক মানসিকতা সংক্রামক রোগের মতো। আশেপাশে থাকলে সবকিছুই ইতিবাচক মনে হয়। সচিন স্যারের ধৈর্য্যশীলতা আমাদের কাছে শেখার বিষয়। একারণেই উনি কিংবদন্তি।'

বন্ধ করুন