বাংলা নিউজ > ময়দান > আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অভিষেকেই নায়ক ব্রুকস
শামারহ ব্রুকস (ছবি: গেটি ইমেজ)
শামারহ ব্রুকস (ছবি: গেটি ইমেজ)

আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অভিষেকেই নায়ক ব্রুকস

  • অভিষেক ম্যাচেই ক্যারিবিয়ান বাহিনীর নায়ক হয়ে গেলেন শামারহ ব্রুকস। ক্যারিবিয়ানদের হয়ে অভিষেকেই ওয়ানডে ডেসমন্ড হেইন্স শতরান করার ৪৪ বছর পরে সেই কৃতিত্ব স্পর্শ করতে না পারলেও, দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেন ব্রুকস।

শুভব্রত মুখার্জি: 

∆ ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২৬৯ (ব্রুকস ৯৩) ∆ আয়ারল্যান্ড: ২৪৫ (বালবির্নি ৭১)

অভিষেক ম্যাচেই ক্যারিবিয়ান বাহিনীর নায়ক হয়ে গেলেন শামারহ ব্রুকস। ক্যারিবিয়ানদের হয়ে অভিষেকেই ওয়ানডে ডেসমন্ড হেইন্স শতরান করার ৪৪ বছর পরে সেই কৃতিত্ব স্পর্শ করতে না পারলেও, দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেন ব্রুকস। শামারহ ব্রুকস দলের অধিনায়ক কায়রন পোলার্ডের সঙ্গে অসাধারণ জুটি গড়ে দলকে ভালো জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার পরে, বোলারদের লড়াইতে অঘটনকে রুখে দিয়ে জয় দিয়েই সিরিজ শুরু করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ।

তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচেই আইরিশদের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতল ২৪ রানে। জামাইকাতে শনিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলআউট হয় ২৬৯ রানে। আইরিশরা রান তাড়া করতে নেমে ২৪৫ রানে গুটিয়ে যায়। ক্যারিবিয়ান সিনিয়র দলের হয়ে ৩৩ বছর বয়সে ওয়ানডে অভিষেকে ব্রুকস ৮৯ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই সংস্করণে অভিষেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস এটি।

ব্রুকসকে এদিন যোগ্য সঙ্গত দিয়ে পোলার্ড করেন ৬৬ বলে ৬৯। দুজন ১৩৬ বলে ১৫৫ রানের জুটি গড়েন। ম্যাচের আগে আয়ার‌ল্যান্ডের সিমি সিং ও বেন হোয়াইট কোভিড পজিটিভ হন। সাবাইনা পার্কের উইকেটে শুরুতে পেসারদের জন্য সহায়তা ছিল। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ২টি বাউন্ডারি মারতে সক্ষম হন ব্যাটাররা। অভিষেক হওয়া ওপেনার জাস্টিন গ্রিভস আউট হন ২৪ বলে ৭ রান করে। অপর ওপেনার হোপ, তিনে নামা নিকোলাস পুরান দুজনেই তাড়াতাড়ি ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। হোপ আউট হয়ে যান ৪৪ বলে ২৯ করে। রস্টন চেজ করেন মাত্র ১ রান। টানা তিন ওভারে উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে চাপে পড়ে যায়। ১৯ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ৬২। সেই সময়তে ব্রুকসের সঙ্গী হন পেলার্ড।

পোলার্ড ৫১ বলে তার অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। ওয়ানডেতে এটি ছিল তার চতুর্দশ পঞ্চাশ। ৬৬ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলে ক্রেগ ইয়াংকে পুল করতে গিয়ে আউট হন।মার্ক অ্যাডায়ারের বলে এলবিডব্লিউ হন ব্রুকস। ৯ টি চার ও ৩ ছয়ে সাজানো তার ইনিংসটি শেষ হয় ৯৩ রানে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে উইন্ডিজ দল ২৬৯ রান করচে সমর্থ হয়। রান তাড়া করতে নেমে আয়ারল্যান্ডের অভিজ্ঞ বরাটার উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড ভাল শুরু করতে পারেননি। ফলে তাড়াতাড়ি প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয় তাকে।

দ্বিতীয় উইকেটে ভালো জুটি গড়েন অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি ও ম্যাকব্রাইন। ম্যাকব্রাইন ৩৪ রানে আউট হলে জুটি ভাঙে ৬১ রানে। বালবির্নিকে সঙ্গ দিতে আসেন হ্যারি টেক্টর। শতরানের জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চেপে ধরেন দুজন। শেষ ১৪ ওভারে আয়ারল্যান্ডের প্রয়োজন পড়ে ১০৫ রান। হাতে ছিল ৮টি। তবে ৯৪ বলে ৭১ রান করে বালবির্নি আউট হলে বিদায়ে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় । পরের ওভারে টেক্টর ৬৮ বলে ৫৩ করে স্মিথের বলে আউট হলে চাপে পড়ে আইরিশরা।এরপর ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই একরকম ছিটকে যায় তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয়ে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগে দুই দলের পয়েন্ট এখন পঞ্চাশ। তবে আয়ারল্যান্ড খেলেছে ১৬ ম্যাচ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলেছে মাত্র ১০টি ম্যাচ।

বন্ধ করুন