বাংলা নিউজ > ময়দান > কঠিন গ্রুপ থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে, তরুণের জয়গান বাংলার কোচের

মুম্বইয়ের কাছে অল্পের জন্য হারতে হলেও চলতি সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফিতে সাফল্যের ধারা বজার রেখেছে বাংলা। ছত্তিশগড়, বরোদা ও সার্ভিসেসের পর এবার এলিট বি-গ্রুপের ম্যাচে তারকাখচিত কর্নাটকের বিরুদ্ধে জয় তুলে নিয়েছে সুদীপ চট্টোপাধ্যায়রা। ২০২০ সালে রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে তারকাখচিত কর্নাটককে ঠিক এ ভাবেই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল বঙ্গব্রিগেড। তফাৎ শুধু সেটা ছিল লাল বলের খেলা। আর এ বার ফর্ম্যাট সাদা বলের। 

মঙ্গলবার গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে জয় এল সাত উইকেটে। চাপের মুখে চুপসে না গিয়ে এই জয়ের জন্য মিলল চলতি সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার নক-আউটে খেলার ছাড়পত্র। তাই দুই বছর আগের সেই রোমাঞ্চকর ম্যাচ নিয়ে এখনও বুঁদ হেড কোচ অরুণ লাল।  ম্যাচের শেষে বাংলার প্রধান কোচ অরুণ লাল বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ছেলেগুলো দারুণ উজ্জীবিত ছিল। তাই ওদের প্রতি ম্যাচের আগে বিশেষ কোনও বার্তা দিতে হয়নি। বিশেষ বার্তা দিতে হয়নি বলেই মুম্বই ৮২ রানে বরোদাকে হারালেও আমাদের সাজঘর একেবারে শান্ত ছিল। জানতাম জিতলেই পরের রাউন্ডে চলে যাব। তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমি সেই দুই বছর আগের রঞ্জি ফাইনালের সঙ্গে এ বারের আগ্রাসী মনোভাবের খুব মিল পাচ্ছি। সবাই একজোট হয়ে বিশেষ কিছু করে দেখানোর চেষ্টা করছে। আর এই মানসিকতাই দরকার। তবে এখনও দিল্লি বহুত দূর। তাই অতি উৎসাহী হতে চাইছি না।’

শুরু থেকেই এই গ্রুপকে বলা হচ্ছিল 'গ্রুপ অফ ডেথ'। কারণ, ছয় দলের মধ্যে ছিল মুম্বই, কর্নাটক, গতবারের রানার্স বরোদা ও বাংলা। গ্রুপ থেকে সর্বোচ্চ দুই দলের কোয়ার্টার ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করার সম্ভাবনা ছিল। এর মধ্যে আবার মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে লিগের ম্যাচে ১০ রানে হেরে নিজেদের কাজ কঠিন করে তুলেছিল সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের দল। তবে তরুণ তারকাদের খেলা দেখে খুশি অরুণ লাল।

বন্ধ করুন