বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > 'শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালিত হোক বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে, মমতাকে চিঠি ‘বাংলা পক্ষ’র, সায় জয় গোস্বামী-সুবোধ সরকারদের
ছবি সৌজন্যে টুইটার
ছবি সৌজন্যে টুইটার

'শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালিত হোক বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে, মমতাকে চিঠি ‘বাংলা পক্ষ’র, সায় জয় গোস্বামী-সুবোধ সরকারদের

  • মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির সই রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বাংলা পক্ষর তরফে।

ঈশ্বরচন্দর বিদ্যাসাগরের জন্মদিন উপলক্ষে ২৬ সেপ্টেম্বরকে ঘোষণা করা হোক রাজ্যের শিক্ষা দিসব। এই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখা হল 'বাংলা পক্ষ' সংগঠনের তরফে। চিঠিতে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির সই রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বাংলা পক্ষর তরফে।

সংগঠের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে সই রয়েছে, কবি জয় গোস্বামী, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচি, সঙ্গীতশিল্পী রূপম ইসলাম, চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অর্থনীতিবিদ দীপঙ্কর দে, সঙ্গীতশিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়, কবি সুবোধ সরকার সহ মোট ২২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির।

বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে শিক্ষক দিসব হিসেবে পালন করার পক্ষে বিশিষ্টজনদের সম্মদি। ছবি: বাংলা পক্ষ
বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে শিক্ষক দিসব হিসেবে পালন করার পক্ষে বিশিষ্টজনদের সম্মদি। ছবি: বাংলা পক্ষ

চিঠিতে সংগঠনের তরফে দুটি দাবি রাখা হয়, 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন অর্থাৎ ২৬শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক। বাংলার জনপ্রতিনিধিরা ভারতীয় সংসদে দাবি উত্থাপন করুন যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন রাষ্ট্রীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে যেন ঘোষণা করা হয়।' পাশাপাশি চিঠিতে লেখা হয়, 'যে সময় হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ভারত রাষ্ট্র তথা বাংলাকে অন্ধকারে ঢেকে ফেলতে চাইছে, তখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের চেতনা, তাঁর দর্শনের সঙ্গে জাতির সম্পৃক্ততার বিস্তার ঘটানো আমাদের অবশ্য কর্তব্য।'

চিঠিতে আরও লেখা হয়, 'বাংলার চিন্তাশীলতার পরিসরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি কেবল নবজাগরণের একজন কাণ্ডারীই নন, বরং গোটা ভারতবর্ষে চিন্তন এবং মননের পরিসরে আধুনিকতার পথপ্রদর্শক। আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের যে, আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উত্তরসূরী। আশ্চর্যের বিষয় বাংলা তথা গোটা ভারত রাষ্ট্র এই মহাপুরুষের যথেষ্ট মূল্যায়ন এবং সম্মান এখনো করতে পারেনি।' দাবি করা হয়, যদি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়, তবে তিনি তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা পাবেন।

বন্ধ করুন