বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌বাঁচাও বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও’, হাতে স্যালাইন নিয়ে নর্দমা থেকে চিৎকার রোগীর
হুগলির উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল
হুগলির উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল

‘‌বাঁচাও বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও’, হাতে স্যালাইন নিয়ে নর্দমা থেকে চিৎকার রোগীর

  • এই ঘটনার পর আজ থাঁর পরিবার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে।

এক ভয়ানক কাণ্ড ঘটে গেল হুগলি জেলায়। নর্দমায় পড়ে কাতরাচ্ছেন রোগী! তাঁর হাতে স্যালাইনের চ্যানেল। এই অবস্থায় চিৎকার করছেন রোগী, ‘‌বাঁচাও বাঁচাও’‌!‌ তখনই সবার টনক নড়ল। এই ভয়ানক ঘটনা ঘটেছে হুগলির উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। রোগীর চিৎকারে ছুটে এসে তাঁকে নর্দমা থেকে উদ্ধার করেন অন্য রোগীর পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনার পর আজ থাঁর পরিবার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে। কীভাবে ওই রোগী নর্দমায় গেলেন, নিরাপত্তারক্ষীরাই বা কেন তাঁকে দেখতে পেলেন না?‌ প্রশ্ন উঠছেই।

বেহাল দশায় পড়া ওই রোগীর দাবি, ‘‌আমাকে খুনের চক্রান্ত করা হচ্ছে! তাই উপর থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।’‌ এই দাবি অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, কেউ ফেলে দেয়নি রোগীকে। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ এঁটেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঠিক কী ঘটেছে?‌ জানা গিয়েছে, উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বালি নিমতলা এলাকার এক ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর দেওয়া হলে এলাকাবাসী হাসপাতালে দেহ নিতে আসে। হাসপাতালে তাঁরা প্রবেশ করতেই শুনতে পান, কেউ একজন বাঁচাও, বাঁচাও করে চিৎকার করছে। তখন সেখানে তাঁরা ছুটে গিয়ে দেখেন এক রোগী নর্দমায় পড়ে চিৎকার করছেন। তখন তাঁরা ওই রোগীকে তুলে হাসপাতালে জমা দেন।

এই উদ্ধারকারীরা দেখেন, রোগীর হাতে স্যালাইনের চ্যানেল করা রয়েছে। তিনি নর্দমায় পড়ে কাতরাচ্ছেন। ওখান থেকে ওঠার জন্য সাহায্য চাইছেন। তৎক্ষণাৎ ওই যুবকরা হাসপাতালের নজরে আনেন বিষয়টি। যদু দাস(‌৫৫)‌ নামে ওই প্রৌঢ় উত্তরপাড়ারই বাসিন্দা। পেটের সমস্যা নিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে। তিনি নর্দমায় পড়ে ‘‌বাঁচাও বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছিলেন তিনি।

বন্ধ করুন