বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > অনুব্রত বলেছিলেন ১৪দিনের রেস্ট লিখে দিতে, চাপ দেওয়া হয়েছিল, বিস্ফোরক চিকিৎসক
অনুব্রত মণ্ডল। ফাইল ছবি

অনুব্রত বলেছিলেন ১৪দিনের রেস্ট লিখে দিতে, চাপ দেওয়া হয়েছিল, বিস্ফোরক চিকিৎসক

  • চিকিৎসকের আফশোস, আমি কেন গেলাম, জনসাধারণের কাছে আমি হেয় হয়ে গিয়েছি। খুব খারাপ হয়ে গিয়েছি। এর সঙ্গেই চিকিৎসকের দাবি, বীরভূমে থাকি বলে লিখতে বাধ্য হয়েছি। উনি সভাপতি মানুষ।প্রভাবশালী। আমি ফেলতে পারি নি।

গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে গিয়েছিলেন বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মেডিকেল টিম। সেই টিমের সদস্য ছিলেন চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী। এবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তিনি। তিনি বলেন, সুপার আমাকে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি যেতে বলেছিলেন। ফোন করেছিলেন। সেই ফোন রেকর্ডও আছে। বলেছিলেন এমার্জেন্সি আছে। বাধ্য করেছিলেন তিনি। চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। সাদা কাগজে লিখতে বলেছিলেন। 

আমি বলেছিলাম হাসপাতালে নিয়ে আসতে। সেখানে আমরা চিকিৎসা করাতে পারি। তবে সেখানে গিয়ে দেখি, সরকারি কোনও প্রেসক্রিপশন পাঠানো হয়নি। সাদা কাগজে আমি অ্যাডভাইজ লিখে দি। আমি চেয়েছিলাম অনুব্রত মণ্ডল হাসপাতালে আসুন চিকিৎসার জন্য। সুপার যেতে বলেছিলেন। চিকিৎসকের দাবি, চাপ তো সৃষ্টিই হয়েছিল। কারণ আমি বলেছিলাম হাসপাতালে নিয়ে আসতে। ইডি আছে।

ওই চিকিৎসকের দাবি, আমাকে বেডরেস্ট লিখে দিতে বলেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল কি হাজিরা দিতে পারবেন? সেই প্রশ্নের উত্তরে চিকিৎসক বলেন, অবশ্যই পারবেন। হাজিরা দিতে পারবেন। এর সঙ্গেই তাঁর সংযোজন, বেড রেস্ট কিছুটা নিলে ভালো কিন্তু সাপোর্ট দিয়ে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া যায়।

তাঁর হাইপার টেনশন আছে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত। হাইলি টেনশন আছে। সেই মতো আমি সাদা কাগজে অ্যাডভাইজ করি। বলেছিলেন বেড রেস্ট লিখে দিন। আমারও দেখে মনে হয়েছিল একটু রেস্টের প্রয়োজন। সেই মতো বেডরেস্ট লিখে দি। বলেন চিকিৎসক।

চিকিৎসকের আফশোস, আমি কেন গেলাম, জনসাধারণের কাছে আমি হেয় হয়ে গিয়েছি। খুব খারাপ হয়ে গিয়েছি।

এর সঙ্গেই চিকিৎসকের দাবি, বীরভূমে থাকি বলে লিখতে বাধ্য হয়েছি। উনি সভাপতি মানুষ।প্রভাবশালী। হাসপাতালে এলে অন্যরকম হত। আমি ওনার বাড়ি গিয়েছি। আমি ফেলতে পারি নি।

বন্ধ করুন