বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > স্কুলে জোড়-বিজোড় নীতি অনুষাযী পড়ুযাদের আনার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার
কেরায়া একটি স্কুলের বাইরে চলছে থার্মাল স্ক্রিনিং (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
কেরায়া একটি স্কুলের বাইরে চলছে থার্মাল স্ক্রিনিং (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

স্কুলে জোড়-বিজোড় নীতি অনুষাযী পড়ুযাদের আনার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার

  • আগামী ৩০ জুনের পর খুলছে বাংলার সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি।

আগামী ৩০ জুনের পর খুলছে বাংলার সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি। তারপর পড়ুয়াদের একদিন অন্তর স্কুলে যেতে হতে পারে। রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের সূত্রে এমনটাই খবর।

বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে ক্লাস চলার বিষয়টি নিশ্চিত করবে রাজ্য। পাশাপাশি, স্কুলগুলিকে ‘বিকল্প মডেল’ পালন করার নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তবে কী সেই বিকল্প মডেল, তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি। তিনি বলেন, ‘পরে বিকল্প মডেলের সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।’ 

যদিও স্কুল শিক্ষা দফতরের সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বিকল্প মডেল অনুযায়ী কোনও একটি নির্দিষ্ট ক্লাসের একদল পড়ুয়া যেদিন স্কুলে যাবে, পরদিন তারা আর স্কুলে যাবে না। সেদিন অপর একটি দল স্কুলে যাবে। তৃতীয় দিনে আবার প্রথম দলটি ক্লাস করবে। সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে এভাবেই  একদিন অন্তর পড়ুয়াদের স্কুলে যেতে পারে বলে সূত্রের খবর।

এদিকে, সরকারি স্কুল খোলার তারিখ বেঁধে দেওয়া হলেও বেসরকারি স্কুলগুলির ক্ষেত্রে সেরকম কোনও বাধ্যতাবধকতা রাখেনি রাজ্য। বরং কবে থেকে ক্লাস চালু হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষের উপর ছাড়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর ইঙ্গিত, বেসরকারি স্কুলগুলিও সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেবে বলে আশাবাদী তিনি। 

একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'যদি কোনও সরকারি স্কুল এবং বেসরকারি স্কুলে একই এলাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে দুটি স্কুলের ক্ষেত্রে একই নিয়ম কার্যকর হবে। কারণ একই এলাকার পড়ুয়ার একইরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে।'

 

বন্ধ করুন