বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > CID Probe in Cattle Smuggling: এবার গরু পাচারকাণ্ডে ময়দানে CBI, জেরা তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানদের

CID Probe in Cattle Smuggling: এবার গরু পাচারকাণ্ডে ময়দানে CBI, জেরা তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানদের

গরু পাচারকাণ্ডে তদন্তে এবার সিআইডি

এবার গরু পাচারকাণ্ডে তদন্তে নামল সিআইডি। জানা গিয়েছে, গরু পাচারকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে যান তদন্তকারীরা। সেখানে রঘুনাথগঞ্জ ও সুতি থানার বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং অন্যান্য কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআই বীরভূম জেলা জুড়ে একাধিক তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন তদন্তকারীরা। এরই মাঝে এবার গরু পাচারকাণ্ডে তদন্তে নামল সিআইডি। জানা গিয়েছে, গরু পাচারকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে যান তদন্তকারীরা। সেখানে রঘুনাথগঞ্জ ও সুতি থানার বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে যান সিআইডি অফিসাররা। পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েতের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। ঘুরে দেখেন গরু রাখার খোঁয়াড়গুলি। (আরও পড়ুন: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেছেন...’, এ কী বললেন অনুব্রত মণ্ডল?)

এদিকে জানা গিয়েছে বেশ কিছু পঞ্চায়েত প্রধান এবং কর্মীকে মালদাতে সিআইডি অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন তদন্তকারীরা। সঙ্গে খোঁয়াড়ের নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। ডেকে পাঠানো হয়েছে খোঁয়াড় মালিকদেরও। খোঁয়াড়ে কে কত গরু রাখত, সেই গরুগুলোর কী হল, কটা গরু মরেছে, কে কত টাকার ইজারা নিয়েছিলেন, এই সব যাবতীয় তথ্য জানতে চেয়ে নথি জমা দিতে বলেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। সীমান্ত লাগোয়া বড়শিমুল দয়ারামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের বেলিয়ারা বিবির স্বামী মনিরুল ইসলাম জানান, খোঁয়াড়ের নথিপত্র দেখে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডি অফিসাররা। জোতকমল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাণী রায়ের স্বামী নিমাই রায়ও সিআইডি অফিসারদের জিজ্ঞাসাবাদের কথা স্বীকার করেন।

আরও পড়ুন: আজও সকাল থেকে মুখ ভার আকাশের, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণের ৯ জেলায়!

জানা গিয়েছে, বিএসএফ বা পুলিশ যে সব পাচারের গরু উদ্ধার করেছিল তা নিয়ম মাফিক শুল্ক মন্ত্রকের স্থানীয় অফিসে হস্তান্তর করত। সেই গরুগুলো নিলাম করল শুল্ক অফিস। সেই নিলামেই ফের গরুগুলো কম দামে চলে যে চোরাচালানকারীদেরই হাতে। এই আবহে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে একটি গোপালক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সেই মামলার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট আটক করা গরুর নিলাম বন্ধের নির্দেশ দেয়। এই আবহে শুল্ক মন্ত্রকের বলে উদ্ধার হওয়া গরু পুলিশকে দিতে শুরু করে বিএসএফ। এদিকে খোঁয়াড় মালিকরা উদ্ধার হওয়া গরুর খাবার জোগান দিতে হিমশিম খায় বলে জানা যায়। এতে নাকি অনেক গরু মারা পড়ে। এই নিয়েই এবার তদন্তে সিআইডি। এদিকে সূত্রের খবর, শীঘ্রই গরু পাচারকাণ্ডে সিবিআইও মুর্শিদাবাদে পা রাখতে চলেছে। অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সাগয়াল হোসেনের দৌলতে ইতিমধ্যেই গরু পাচারের সঙ্গে মুর্শিদাবাদ যোগ উঠে এসেছে।

বন্ধ করুন