বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > PHD Scam: ক্লাস না করেই ডক্টরেট? পার্থর পিএইচডি ফের প্রশ্নের মুখে, নজরে NBU
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্যে, সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস এবং পিটিআই ফাইল)

PHD Scam: ক্লাস না করেই ডক্টরেট? পার্থর পিএইচডি ফের প্রশ্নের মুখে, নজরে NBU

  • সূত্রের খবর, ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে অর্থনীতি বিভাগের অধীনে কোর্স ওয়ার্ক করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি কবে ক্লাস করলেন তা নিয়ে সংশয়টা সেই সময়ই উঠেছিল। সেই সময় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এক অধ্যাপক ও এক অধ্যাপিকার ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে ফের নানা প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীদের অভিযোগ মাত্র এক বছরে একটি ক্লাস না করেও উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট হয়ে গিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই সময়ই পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের এই পিএইচডি ডিগ্রিকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু পার্থর দাপটে মুখ খুলতে পারেননি অনেকেই। 

বিরোধীদের অভিযোগ ইউজিসির নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি হাতিয়ে নিয়েছিলেন। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে জানিয়েছেন, জোর করে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছিলেন। কোর্স ওয়ার্ক করেননি। ক্লাস করেননি। অন্যের নথি থেকে চুরি করে কোনও কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করেই তিনি পিএইচডি করেছিলেন। সেই সময় অনেকেই তাঁর কাছ থেকে সুবিধা পেয়েছিলেন। সেকারণে মুখ খোলেননি। 

একাধিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুসারে ২০১৩ সালে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রেশন করে এক বছরের মধ্যে ২০১৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে ফেলেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ বিশেষ অনুমতিতেই নাকি মাত্র একবছরের মধ্যেই গবেষণাপত্র জমা দিয়েছিলেন তৎকালীন মন্ত্রী। সেটা কতটা নিয়ম মেনে হয়েছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

সূত্রের খবর, ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে অর্থনীতি বিভাগের অধীনে কোর্স ওয়ার্ক করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তিনি কবে ক্লাস করলেন তা নিয়ে সংশয়টা সেই সময়ই উঠেছিল। সেই সময় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এক অধ্যাপক ও এক অধ্যাপিকার ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। পরবর্তীতে অবশ্য তাঁদের পদোন্নতিও হয়ে যায়। আর সেই পদোন্নতির পেছনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ অনুপ্রেরণা ছিল বলে মত বিরোধীদের। সেই আশীর্বাদের জেরেই ওই অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা উত্তরবঙ্গের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শীর্ষ পদ পেয়ে গিয়েছেন বলেই দাবি বিরোধীদের।তবে ওই অধ্যাপিকা অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

 

 

বন্ধ করুন