বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্রতীক্ষার অবসান,জলপাইগুড়িতে তিস্তার দ্বিতীয় রেলসেতু চালু
এভাবেই নানা বাধা বিপত্তি কাটিয়ে তৈরি হয়েছিল তিস্তার দ্বিতীয় রেলসেতু (ফাইল ছবি)
এভাবেই নানা বাধা বিপত্তি কাটিয়ে তৈরি হয়েছিল তিস্তার দ্বিতীয় রেলসেতু (ফাইল ছবি)

প্রতীক্ষার অবসান,জলপাইগুড়িতে তিস্তার দ্বিতীয় রেলসেতু চালু

  • গত কয়েকবছর ধরে নির্মীয়মান সেতুর একটি স্তম্ভকে ঘিরে নানা টানাপোড়েন চলেছিল

গত কয়েকবছরের নানা টানাপোড়়েনের অবসান। অবশেষে ছাড়পত্র পেল তিস্তার দ্বিতীয় রেলসেতু। শুক্রবার সকাল থেকে নতুন সেতুতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। এই সেতু চালু হয়ে যাওয়ায় এনজেপি থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত প্রায় ৪৭৭ কিলোমিটার রেলপথের প্রায় পুরোটাই ডবল লাইন হয়ে গেল। তবে গত কয়েকবছর ধরে এই রেলসেতু তৈরি নিয়ে কম টানাপোড়েন হয়নি। জলপাইগুড়ির তিস্তা নদীর মতো বড় নদীতে দীর্ঘ রেলসেতু তৈরি ছিল নিঃসন্দেহে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে বড় চ্য়ালেঞ্জ। কিন্তু সেই পরীক্ষায় উতরে গিয়েছে রেল।

সূত্রের খবর, সেতু তৈরির প্রথম পর্যায়ে দেখা গিয়েছিল সেতু নির্মাণের জন্য একটি স্তম্ভ হেলে রয়েছে। এরপরই এনিয়ে নড়চড়ে বসে রেলকর্তৃপক্ষ। দেখা গিয়েছিল স্তম্ভর নীচে পাথর রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এব্যাপারে পরিকল্পনা নেয় রেলকর্তৃপক্ষ। এরপর স্তম্ভের উপরের অংশ কিছুটা কেটে তার চারপাশ দিয়ে ছোট ছোট কয়েকটি স্তম্ভ করা হয়। তার উপরই লাইন পাতা হয়।কার্যত মূল স্তম্ভটির উপর বেশি চাপ না দিয়ে সুরক্ষিত রেলসেতু তৈরি হয় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে। তারপর সব দিক খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়েছে এই সেতু। সেই লাইনেই রেল চালানো শুরু হয়ে গেল। 

উত্তরপূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শুভানন চন্দ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে তিস্তার দ্বিতীয় রেলসেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। সেতু নিয়ে যে সমস্যা ছিল তা ধাপে ধাপে সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।রেলসূত্রে খবর, অসম থেকে নিউজলপাইগুড়িগামী ট্রেনগুলি এই পথেই চলাচল করবে। তবে এই লাইনের প্রায় ২৬ কিলোমিটার অংশে লাইন পাতা ও বিদ্যুতের তার টানার কাজ চলছে। সেই কাজ শেষ হলে পুরো পথটাই ডবল লাইনের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

 

বন্ধ করুন