বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সাগরের কপিলমুণির আশ্রম চত্বরে একবুক জল, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাসিন্দারা
ভরা কোটালের জলে প্লাবিত কপিল মুণির আশ্রম (নিজস্ব চিত্র)
ভরা কোটালের জলে প্লাবিত কপিল মুণির আশ্রম (নিজস্ব চিত্র)

সাগরের কপিলমুণির আশ্রম চত্বরে একবুক জল, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাসিন্দারা

  • ভরা কোটালের জল হু হু করে ঢুকতে শুরু করে আশ্রম চত্বরে

ইয়াসের ল্যান্ডফলের আগেই বুধবার ভরা কোটালের জলে ভেসে গেল সাগরের কপিলমুণির আশ্রম। আশ্রম চত্বরে বুক সমান জল হয়ে যায়। জল বাড়তে থাকে ক্রমশ।কার্যত সাগর উঠে এল আশ্রম চত্বরে। আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুট শুরু করে দেন বাসিন্দারা। কপিলমুণির মূল আশ্রমের বারান্দাকে ছুঁয়ে ফেলে জলের ঘূর্ণিপাক। একটা সয়ম মূল আশ্রমেও জল ঢুকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। হু হু করে জল বাড়তে থাকে। একঝলক দেখলে মনে হয় যেন আস্ত একটি নদী বইছে আশ্রম চত্বরের উপর দিয়ে। জলের তোড়ে পাশাপাশি দোকানগুলিও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জল ঢোকার খবর পেয়েই উদ্ধারকারী টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কয়েকজনকে উদ্ধার করে তাঁরা নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে নিয়ে যান। একদিকে জলের ভয়াবহ স্রোত, অন্যদিকে বাতাসের প্রবল বেগ, একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন। তবে জলের তোড়ে আশ্রমের কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না সেব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন। তবে জলের তোড়ে যাতে কেউ ভেসে না যান সেকারণে উদ্ধারকারী টিমকে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। এনডিআরএফের টিমও ঘটনাস্থলে রয়েছে। যে আশ্রম চত্বরে বছরের বিভিন্ন সময়ে পূণ্যার্থীদের আগমনে ভরে ওঠে, সেই চত্বরেই এদিন বুক সমান জল।

জলের তোড়ে গবাদি পশু ও সারমেয়দের ভেসে যাওয়ার উপক্রম তৈরি হয়। তবে উদ্ধারকারী টিন তাদের কোনওরকমে উদ্ধার করা শুরু করেন। অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসকের বাংলো চত্বরেও জল ঢুকে পড়ে। বাংলোর সামনের রাস্তাতেও হু হু করে জল বইতে শুরু করে। কর্মীরা কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমেই হাতের বাইরে চলে যেতে শুরু করে। একটা সময় বাংলোর পাঁচিলের একাংশ ভেঙে পড়ে জলের তোড়ে। বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। ক্রমেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে থাকে এলাকায়। 

বন্ধ করুন