বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাড়ছে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা, একই দিনে কলকাতায় হদিশ মিলল ৫ ওমিক্রন আক্রান্তের
ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই
ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই

বাড়ছে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা, একই দিনে কলকাতায় হদিশ মিলল ৫ ওমিক্রন আক্রান্তের

  • নতুন করে পাঁচজন আক্রান্তের খোঁজ মেলায় রাজ্যে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৬ হয়েছে।

বাড়ছে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা, একই দিনে কলকাতায় হদিশ মিলল ৫ ওমিক্রন আক্রান্তের

রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে। আর এরই মাঝে আরও পাঁচ ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলল পশ্চিমবঙ্গে। জানা গিয়েছে, ওমিক্রন সংক্রমিতদের মধ্যে থেকে তিন জন ফিরেছেন ব্রিটেন থেকে। ব্রিটেন ফেরত সংক্রমিতদের একজনের বয়স ৪৪ বছর, একজন ২৪ বছর বয়সি, অপরজন পাঁচ বছরের শিশু। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রয়েছে এই ওমিক্রন আক্রান্তরা। তবে কারোর শরীরেই কোনও কোভিড উপসর্গ নেই। তাদের শারীরিক অবস্থি স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে এই পাঁচজন আক্রান্তের খোঁজ মেলায় রাজ্যে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৬ হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বৃবস্পতিবার বিদেশ থেকে কলকাতায় আসা ৬ জন যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এজের মধ্যে পাঁচজনের শরীরেই ওমিক্রন ভাইরাস ধরা পড়ে। এরপরই আক্রান্তদের বাইপাসের ধারে, মুকুন্দপুরে, ঢাকুরিয়াতে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোগীদের শারীরিক অবস্থি স্থিতিশীল থাকলেও তাদের কোভিড বিধি মেমে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এদিকে বড়দিন পার হতেই রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। আর তাই পরিস্থিতি যাতে নাগালের বাইরে না চলে যায় তাই আগেভাগেই সতর্ক হল রাজ্য সরকার। নবান্নের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামী মাসের ৩ তারিখের পর থেকে ব্রিটেন থেকে আসা কোনও বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে নামতে দেওয়া হবে না। একইসঙ্গে এদিন নবান্নের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বিদেশ থেকে কেউ কলকাতা বিমানবন্দরে এলেই তাঁর আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে গত কয়েকদিনে প্রায় ৪ গুণ বেড়েছে সংক্রমণ৷ আক্রান্তের নিরিখে রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা৷ বৃহস্পতিবার কলকাতায় নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯০ জন। অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণে রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তারা মনে করছেন আর এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যে আছড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ৷ পরিস্থিতি এতটাই ভয়ানক হতে পারে যে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার হতে পারে।

 

বন্ধ করুন