বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Maa Canteen: ১,৮৫,৬৫,৬৯০ ডিশ বিক্রি হয়েছে মা ক্যান্টিন থেকে, হিসাবে কারচুপির অভিযোগ বিরোধীদের

Maa Canteen: ১,৮৫,৬৫,৬৯০ ডিশ বিক্রি হয়েছে মা ক্যান্টিন থেকে, হিসাবে কারচুপির অভিযোগ বিরোধীদের

লকডাউনের সময় শুরু হয় মা ক্যান্টিন

লকডাউনের সময় এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত গরীব মানুষদের দুপুরের অন্নসংস্থানের জন্য মা ক্যান্টিনের স্টল তৈরির হয় শহরের বিভিন্ন জায়গায়। কোভিড পরিস্থিতে কেটে গেলেও পুরসভার সমাজকল্যাণ বিভাগের আয়োজনে এই স্টল বন্ধ করা হয়নি।

কলকাতা শহরের প্রায় দুকোটির কাছাকাছি মানুষ মা ক্যান্টিন থেকে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। লকডাউনের সময় এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত গরীব মানুষদের দুপুরের অন্নসংস্থানের জন্য মা ক্যান্টিনের স্টল তৈরির হয় শহরের বিভিন্ন জায়গায়। কোভিড পরিস্থিতে কেটে গেলেও পুরসভার সমাজকল্যাণ বিভাগের আয়োজনে এই স্টল বন্ধ করা হয়নি। বিভাগের আধিকারিকদের আশা আগামী দিনে মা ক্যান্টিনের সুযোগ গ্রহণকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে। তবে বিরোধীদের অভিযোগ পরিসংখ্যান কারচুপি করে দেখানো হয়েছে।

পুরসভার তথ্য অনুযায়ী কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৮টিতে মা ক্যান্টিন রয়েছে। এই ক্যান্টিনগুলি থেকে এখনও পর্যন্ত ১কোটি ৮৫লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৯০টি ডিশ বিক্রি হয়েছে। মাত্র পাঁচ টাকায় এই ক্যান্টিন থেকে পাওয়া যায় ভাত, ডাল, ডিম। লকডাউনের সময় প্রথমদিকে শুধু শহরে মা ক্যান্টিন চালু হয়েছিল পরে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন জেলাতে চালু হয়।

তবে বিরোধীদের অভিযোগ শহরের একাধিক জায়গায় মা ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরসভার দেওয়া পরিসংখ্যানও সঠিক নয় বলে দাবি তাদের। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর ওয়ার্ডে আগে দুটো মা ক্যান্টিন চলত এখনও একটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন ডিশ বিক্রির সংখ্যাও বাড়িয়ে দেখানো হয়। এটাও একটা দুর্নীতি।'

(পড়তে পারেন। রাজ্যে প্রথম সৌর বিদ্যুৎচালিত সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে ভাঙড়ে, ভাবনা লালবাজারের)

বিরোধী বাম কাউন্সিলার মধুছন্দা দেব বলেন,'কোন ওয়ার্ডে কত ক্যান্টিন চলছে, সেখান থেকে কত মানুষ খাবার কিনছেন তা স্পষ্ট করুক পুরসভার ক্ষমতাসীন দল।'

তবে এই অভিযোগ মানতে রাজি নয় পুরসভার শাসকদল। সমাজ কল্যাণ বিভাগের মেয়র পারিষদ মিতালি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'শহরের কোথাও মা ক্যান্টিন বন্ধ হয়নি। কিছু জায়গায় স্থান বদল হয়েছে। ডিশ বিক্রির সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।' তবে তথ্য-পরিসংখ্যান নিয়ে তর্ক-বিতর্ক থাকলেও শহরের নিম্ন আয়ের মানুষের একাংশ যে এই ক্যান্টিনের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন, তা অনেকেই স্বীকার করেছেন।

 

বন্ধ করুন