বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অমিত–চরণ ছুঁয়ে প্রণাম শুভেন্দু অধিকারীর, রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি শাহের
অমিত শাহের জন্য বিমানের বাইরে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতারা। নিজস্ব চিত্র।

অমিত–চরণ ছুঁয়ে প্রণাম শুভেন্দু অধিকারীর, রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি শাহের

  • একুশের নির্বাচনে বিজেপির সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যে সব কটি নির্বাচনে হেরে গোহারা পার্টিতে পরিণত হয়েছে। প্রত্যেকটি নির্বাচনে ধরাশায়ী হতে হয়েছে পদ্মশিবিরকে। এই প্রেক্ষাপটে শাহের সফর ও বৈঠক রাজনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। 

কলকাতায় পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ, বৃহস্পতিবার অমিত শাহকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার–সহ অন্যান্য নেতারা। সেখানেই অমিত শাহের পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। অমিতের গলায় উত্তরীয়ও পরিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা।

কোথায় কোথায় যাবেন শাহ?‌ কলকাতা ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সফর করার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। তাঁর দু’‌দিনের সফর আজ থেকে শুরু হবে এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার থেকে শুরু হবে। তাঁর হেলিকপ্টারে রয়েছেন নিশীথ প্রামানিক, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার। কলকাতা থেকে হিঙ্গলগঞ্জ রওনা হলেন অমিত শাহ। শিলিগুড়ি, হিঙ্গলগঞ্জ, কল্যাণী এবং কলকাতায় নানা কর্মসূচি রয়েছে শাহের।

কী কী অনুষ্ঠান থাকছে শাহের?‌ হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফের ৮৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। সূত্রের খবর, নৌকায় চড়ে সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করতে পারেন তিনি। বিএসএফের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ লাগোয়া ভারত সীমান্ত নিয়ে আলোচনা হতে পারে তাঁর। দুপুরে নদিয়ার কল্যাণীতে বিএসএফের আর একটি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন তিনি। কল্যাণী থেকে কলকাতায় ফিরে তাঁর পরের গন্তব্য শিলিগুড়ি। সেখানে রেল ময়দানে জনসভা করার কথা। এমনকী উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জনজাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা শাহের। রাতে সেখানেই সুকান্ত–শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক। তারপর শুক্রবার কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।

উল্লেখ্য, একুশের নির্বাচনে বিজেপির সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যে সব কটি নির্বাচনে হেরে গোহারা পার্টিতে পরিণত হয়েছে। প্রত্যেকটি নির্বাচনে ধরাশায়ী হতে হয়েছে পদ্মশিবিরকে। এই প্রেক্ষাপটে শাহের সফর ও বৈঠক রাজনৈতিক দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। এখন দেখার জর্জরিত বঙ্গ–বিজেপিকে টেনে তুলতে পারেন কিনা।

বন্ধ করুন