বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি খ্যাতি অর্জন করেছে, মানোন্নয়ন নিয়ে সমালোচনা সুভাষের
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার। ফাইল ছবি
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার। ফাইল ছবি

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি খ্যাতি অর্জন করেছে, মানোন্নয়ন নিয়ে সমালোচনা সুভাষের

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মানের এই তালিকা প্রকাশ করেছে এনআইআরএফ। সেখানে দেখা গিয়েছে, ভারতের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ইতিমধ্যেই খ্যাতির পালক যোগ হয়েছে। সেখানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে দেখা গেল রাজ্যের সমালোচনাই করতে। আর তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সদ্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অধীনে ন্যাশনাল বোর্ড অফ অ্যাক্রিডিটেশনের উৎকর্ষতার মাপকাঠিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেছে বাংলার কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, খড়গপুর আইআইটি, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির। সুতরাং রাজ্যের কাছে এখন খুশির হাওয়া।

এমনকী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মানের এই তালিকা প্রকাশ করেছে এনআইআরএফ। সেখানে দেখা গিয়েছে, ভারতের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারের অভিযোগ, ‘‌দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায়ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে কলেজ, মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, রিসার্চ ইন্সটিটিউট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ অত্যন্ত কম।’‌

এই কথা বলে তিনি সমালোচনা করলেও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কোনও কথা খরচ করেননি। সেখানে যে অচলাবস্থা চলছে, উপাচার্যকে নিয়ে সমস্যা চলছে এবং সেখানে কলকাতা হাইকোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে তা নিয়ে কিছু বলতে শোনা যায়নি। বরং তাঁকে বলতে শোনা গেল, ‘‌শুধুমাত্র শিক্ষকদের বদলির বিষয় নীতি নির্ধারণ না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মানোন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উৎকর্ষতার এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য উপযুক্ত করে তোলার চেষ্টা করুক সরকার।’‌

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় স্তরে উৎকর্ষতা প্রমাণের এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে মাত্র একটি মেডিকেল কলেজ, ৪৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১৭টি ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ৯০টি কলেজ, ৬টি আইন কলেজ এবং ১০টি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অংশ নিয়েছিল। যখন রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সাফল্যের দিকে হাঁটছে তখন এই সমালোচনা কেন?‌ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার যে তালিকা প্রকাশ করেছে তাতে রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাফল্য উঠে এসেছে। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, বেলুড়ের রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে এসেছে।। সেরা ১০–এর তালিকায় অষ্টম স্থানে যাদবপুর। স্বীকৃতি আদায় করেছে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজও। আইআইটি খড়গপুর পেয়েছে ২০২১ সালের অন্যতম সেরা গবেষণা কেন্দ্রের স্বীকৃতি পেয়েছে। তারপরও রাজ্যের বিরুদ্ধে এই সমালোচনা কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়েও চর্চা তুঙ্গে।

বন্ধ করুন