বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > উত্তরাখণ্ড নিয়ে ব্যস্ত তাই ভবানীপুরে নেই, কুণালের দাবির পর সাফাই লকেটের
লকেট চট্টোপাধ্যায়। ফাইল ছবি
লকেট চট্টোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

উত্তরাখণ্ড নিয়ে ব্যস্ত তাই ভবানীপুরে নেই, কুণালের দাবির পর সাফাই লকেটের

  • কুণাল ঘোষ লেখেন, ‘‌পৃথিবীটা খুব ছোট। আশা করি আপনার রাজনীতি শুরু করার দিনগুলি আবার ফিরে আসুক।’‌

‌তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের সকালে একটি টুইট। তারপরই ফের বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে ফের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গেল। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তাহলে কী লকেট বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে চলে আসছেন। যদিও এদিনই কুণালের টুইটের পাল্টা জবাব দিতে দেখা গিয়েছে লকেটকে। এরপর টুইটেই পরস্পরের মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।

সোমবার সকালে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে প্রশংসা করে টুইট করেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। টুইটে তিনি লেখেন, ‘‌ভবানীপুরে প্রচারে না আসায় তারকা প্রচারক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। বিজেপির অনেক অনুরোধ সত্বেও আপনি প্রচার করেননি। আপনি যেখানেই থাকুন, বন্ধু হিসাবে আপনার সাফল্য কামনা করি।’‌ এরপরই কুণাল ঘোষ লেখেন, ‘‌পৃথিবীটা খুব ছোট। আশা করি আপনার রাজনীতি শুরু করার দিনগুলি আবার ফিরে আসুক।’‌ এই লেখার পরই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়ে যায়। কারণ, লকেট চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতির জীবনের সূচনা তৃণমূলেই। জানা যায়, কুণাল ঘোষের হাত ধরেই অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূলে আগমন ঘটেছিল। ২০১৩ সালে লকেটের তৃণমূলে আগমনের পর কয়েক মাসের মধ্যেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

একসময়ের রাজনৈতিক সতীর্থের এই ধরনের টুইট বার্তার পর তার জবাব দিতে দেরি করেননি লকেট। তবে ভবিষ্যতে তিনি কী করবেন, সেটা অবশ্য তিনি তাঁর টুইটে খোলসা করেননি। কুণাল ঘোষের উদ্দেশ্যে পাল্টা টুইট বার্তায় লকেট লেখেন, ‘‌আপনি বরং, ভবানীপুরে যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না হারেন, সেদিকে নজর দিন।’‌ পরক্ষণেই এর উত্তর দিয়ে দেন কুণাল। হেসেই তিনি জবাব দেন, ‘‌ভাবতে হবে না, মমতাদি বড় ব্যবধানে জিতবেন। কিন্তু তবু আপনাকে ধন্যবাদ যে আপনি জবাবেও প্রার্থী নাম উল্লেখ করেননি।’‌

কিছুদিন আগে লকেট চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন বলে একটি খবর রটে যায়। পরে সেই খবর ভুয়ো বলে জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ। 

এখন প্রশ্ন উঠছে লকেট কেন  ভবানীপুরের প্রচারে নেই। সংবাদসংস্থা এএনআইকে বিজেপি সাংসদ জানিয়েছেন যে তিনি বিজেপির উত্তরাখণ্ডের নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন। তাই ভবানীপুর নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না কারণ সেখানে দিলীপ, শুভেন্দুর মতো নেতারা আছেন। এবার কথা হল, এর আগেও বহু দলবদলুরা প্রথমে অস্বীকার করেও পরে পালটি খেয়েছেন। লকেটও কি সেই পথে যাবেন? কুণালের কথায় তেমনই ইঙ্গিত, বাকিটা সময় বলবে। 

 

বন্ধ করুন