বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য পদে মুখ্যমন্ত্রী, প্রস্তাবে অনুমোদন মন্ত্রিসভার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএনআই)

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য পদে মুখ্যমন্ত্রী, প্রস্তাবে অনুমোদন মন্ত্রিসভার

  • কিছুদিন আগেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করেছিলেন। খুব দ্রুত এই বিষয়টি রাজ্য মন্ত্রিসভায় আনা হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

‌রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য পদে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। রাজ্যপালকে সরিয়ে এই অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদেও মুখ্যমন্ত্রীর নাম অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য পদে বসানোর বিষয়টি রাজ্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলেও এটি এখনও আইনে পরিণত হয়নি। বিষয়টিকে আইনে পরিণত হলে বিলটিকে বিধানসভায় পাশ করাতে হবে। 

শুধু বিধানসভায় পাশ করালেই হবে না, বিলটিকে রাজ্যপালের অনুমোদন দিতে হবে। এতদিন ধরে রাজ্যপালই ছিলেন রাজ্যের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। কিন্তু এই বিলটি আইনে পরিণত হয়ে গেলে তিনি আর আচার্য পদে থাকবেন না। নতুন এই বিলটিকে রাজ্যপালকেই অনুমোদন দিতে হবে। রাজ্যপাল সেটিকে অনুমোদন না দিয়ে পুনর্বিবেচনার জন্য রাজ্য বিধানসভায় ফেরত পাঠাতে পারে। অর্থাৎ রাজ্য মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি পাশ হলেই হবে না, সেটিকে আইন রূপান্তরিত করা যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ বিষয়।

কিছুদিন আগেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রস্তাব করেছিলেন। খুব দ্রুত এই বিষয়টি রাজ্য মন্ত্রিসভায় আনা হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ওই বক্তব্যে শিক্ষামহল দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। শিক্ষাবিদদের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর পক্ষে সায় দিলেও অন্য পক্ষ অবশ্য রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে মত দিয়েছে। তাঁদের মতে, এই আইন পাশ হয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দলতন্ত্র কায়েম হয়ে যাবে।

বন্ধ করুন