বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Sukanta Majumder on Left Rally: ‘বামেদের মিছিলে লোক পাঠিয়েছিল তৃণমূল’, ধর্মতলার ‘লালপ্লাবন’ নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত
সুকান্ত মজুমদার (ছবি - এএনআই) (Utpal Sarkar)

Sukanta Majumder on Left Rally: ‘বামেদের মিছিলে লোক পাঠিয়েছিল তৃণমূল’, ধর্মতলার ‘লালপ্লাবন’ নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত

  • সুকান্তর অভিযোগ, ‘এ রাজ্যে বামেদের প্রাসঙ্গিক করে তুলতেই সিপিমূলের মিছিল হয়েছে।’

মঙ্গলবার কলকাতা দেখেছে বাম ছাত্র-যুবদের বিশাল মিছিল। ধর্মতলায় যেখানে ২১ জুলাইয় কানায় কানায় ভর্তি থাকে, সেই ওয়াই চ্যানেল স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ২০ সেপ্টেম্বর। ‘ক্যাপ্টেন’ মীনাক্ষীর ডাকা মিছিলে বামেদের ‘চেনা ছবি’ ফিরে এসেছিল কলকাতার রাজপথে। আর এই নিয়ে এবার কটাক্ষের সুর বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়।

একদিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে বর্ষপূর্তি হয়েছে সুকান্তর। তার কয়েকদিন আগেই ‘নবান্ন চলো’ অভিযান নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ‘বাহবা’ কুড়িয়েছেন। তবে বামেদের গতকালকের মিছিল যেন বিজেপিকে ‘ব্যাকফুটে’ ঠেলে দিয়েছে। তবে তা মানতে নারাদ সুকান্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতির বিস্ফোরক দাবি, ‘এটা বামেদের মিছিল নয়। তৃণমূল লোক দিয়ে সাহায্য করেছে। জয় বাংলা বলেনি এই অনেক। সেলিমকে টেন্ডার দিয়েছে তৃণমূল।’

সুকান্তর অভিযোগ, ‘এ রাজ্যে বামেদের প্রাসঙ্গিক করে তুলতেই সিপিমূলের মিছিল হয়েছে।’ বালুরঘাটের সাংসদের প্রশ্ন, ‘পুলিশি অনুমতি ছাড়া বিজেপি কোনও আন্দোলন কর্মসূচি করতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। আর শহর কার্যত স্তব্ধ করে দিয়ে এদিন বামেরা মিছিল করল, সভাস্থল পরিবর্তন করল। এই সভা হল তৃণমূলের একুশে জুলাই মঞ্চের স্থানের কাছে। তাও পুলিশ কেন নীরব থাকল? বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচি ঠেকাতে পুলিশ অতিসক্রিয় থাকে। আর বামেদের ক্ষেত্রে কোনও রকম সক্রিয়তা কেন দেখাল না পুলিশ? এর থেকেই প্রমাণিত হয় তৃণমূল আর সিপিআইএমের মধ্যে এখনও ফিশ ফ্রাই পলিটিক্স বজায় আছে।’

এদিকে সুকান্ত কটাক্ষ করলেও গতকাল ধর্মতলায় বামেদের ইনসাফ সমাবেশের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন বিজেপি বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ। তিনি বলেন, বাম হোক বা ডান হোক সবাই মিলে তৃণমূল কংগ্রেসটাকে ক্ষমতাচ্যূত করুক। বঙ্কিমবাবু বলেন, ‘বামেরা রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ছে। আমরা চাই বাম হোক বা ডান হোক সবাই মিলে তৃণমূল কংগ্রেসটাকে ক্ষমতাচ্যূত করা হোক। এখানে যে অনৈতিকতা চলছে তাতে তৃণমূলকে না সরালে কোনও রাজনৈতিক দল তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে কাজ করতে পারবে না।’

বন্ধ করুন