দোল উৎসবের কিছু ছবি ঘিরে বিতর্ক রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।
দোল উৎসবের কিছু ছবি ঘিরে বিতর্ক রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

বসন্ত উৎসবে পিঠে আবিরে লেখা আপত্তিকর শব্দ, বিতর্কে পড়ুয়ারা

  • দোল উৎসবের কিছু ছবি ঘিরে বিতর্কে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।
  • বৃহস্পতিবার দোল উৎসবের কিছু ছবি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
  • বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, বিতর্কিত ছবিগুলিতে যে মেয়ে ও ছেলেদের দেখা যাচ্ছে তারা কেউ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নয়।

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিটি রোড ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার দোল উৎসবের কিছু ছবি ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই সব ছবি, যা নিয়ে শুরু হয়েছে হইচই। ছবিগুলিতে দেখা গিয়েছে, শাড়ি পরা কয়েক জন তরুণীর পিঠে আবির দিয়ে আপত্তিকর শব্দ লেখা রয়েছে। আপত্তিকর শব্দ লেখা রয়েছে ছেলেদের বুকেও।

বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত বছর বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে মদ্যপ অবস্থায় কয়েকজন পড়ুয়াকে পাওয়া যায়। যা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক শুরু হয়েছিল। তার জেরে এবার একাধিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশেষত এ বছরই প্রথম পাস দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয় ৷ অর্থাৎ পাস ছাড়া কেউই রবীন্দ্রভারতীর বসন্ত উৎসবে যোগ দিতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, বিটি রোড ক্যাম্পাসের বসন্ত উৎসবকে কেন্দ্র করে চারিদিকে সিসিটিভি লাগানোর পাশাপাশি প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, প্রায় ৫০ হাজার পাস ছাপা হয় বসন্ত উৎসবের জন্য। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি অন্যান্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য এই পাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, বিতর্কিত ছবিগুলিতে যে মেয়ে ও ছেলেদের দেখা যাচ্ছে তারা কেউ রবীন্দ্রভারতী রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই এই ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খোঁজ নিতে শুরু করে। তবে ছবিগুলি নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হবে কী না, সে বিষয় কোনও মন্তব্য করতে চাননি উপাচার্য।

এই ব্যাপারে উপাচার্য সব্যসাচী বসু রায়চৌধুরীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এই ঘটনা ক্যাম্পাসেই ঘটেছে। তবে সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, দোল উৎসব উপলক্ষে ক্যাম্পাসে প্রচুর বহিরাগত এসেছিলেন। তাই কারা এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন, তা চিহ্নিত করা প্রায় অসম্ভব।

বন্ধ করুন