বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Upper primary teachers' recruitment: আবারও আদালতে গড়াল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ প্রার্থীদের
আবারও আদালতে গড়াল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ প্রার্থীদের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য মিন্ট)
আবারও আদালতে গড়াল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ প্রার্থীদের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য মিন্ট)

Upper primary teachers' recruitment: আবারও আদালতে গড়াল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ প্রার্থীদের

  • তার জেরে স্বভাবতই আবারও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইনি জট তৈরি হতে পারে বলে একাংশের আশঙ্কা।

আবারও আদালতে গড়াল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া। গত ১১ ডিসেম্বর যে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট, সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন ১২০ চাকরিপ্রার্থী।

গত ১১ ডিসেম্বর উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অবৈধ হিসেব ঘোষণা করে তা বাতিল করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, নয়া বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করতে হবে। ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সেই কাজ করতে হবে। তারপর আগামী বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। দ্রুত নিয়োগের লক্ষ্যে সেই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। 

কিন্তু মামলাকারী প্রার্থীদের বক্তব্য, উচ্চ প্রাথমিকের একাধিক বিষয় নিয়ে মামলা হয়েছিল। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অবশ্য একটি সাধারণ নির্দেশ দিয়েছে। তার বিরুদ্ধেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়েছে। মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী আশিসকুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, মেধাতালিকায় ওই প্রার্থীদের নাম ছিল। কিন্তু সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে তাঁরা সমস্যায় পড়তে পারেন। কারণ যাঁরা মেধাতালিকায় ছিলেন, তাঁরা অকৃতকার্য হয়ে যেতে পারেন। সেজন্য আগের মেধাতালিকা রেখে সেটিকে পুনর্গঠন বা সংশোধন করে নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে। হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে বিশেষজ্ঞ কমিটির গঠনেরও দাবি তুলেছেন মামলাকারীরা। 

সেই আবদনের শুনানি হতে পারে নয়া বছরের ৪ জানুয়ারি। তার জেরে স্বভাবতই আবারও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইনি জট তৈরি হতে পারে বলে একাংশের আশঙ্কা। বিশেষত আগামী বছর বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে মার্চের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। সেই প্রক্রিয়া আরও দেরি হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বন্ধ করুন