বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ > পুরভোটের লড়াই > স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ কেন?‌ উত্তপ্ত আসানসোল, লাঠিচার্জ পুলিশের
বিরোধীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন।

স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ কেন?‌ উত্তপ্ত আসানসোল, লাঠিচার্জ পুলিশের

  • আসানসোল পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং–রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখার অভিযোগ বিরোধীদের।

আসানসোল পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছে। ভোট লুঠের অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার পুরসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগের রাত থেকেই আসানসোলে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিল। আসানসোল পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং–রুমের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখার অভিযোগ বিরোধীদের।

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?‌ বিরোধীদের অভিযোগ, সিসিটিভি বন্ধ করে স্ট্রংরুমের ভিতরে লোক ঢোকানোর অভিযোগ উঠল আসানসোলে। আসানসোলের ধাদকা পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং–রুমের সামনে বিরোধীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে দেখা দিল। অবশেষে পরিস্থিতির সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

এই ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের দাবি, গণতন্ত্র বলে আর কিছু রইল না। ভোট করানোর কি দরকার!‌ এত নিরাপত্তা এত প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও কিভাবে সিসিটিভি বন্ধ করে দুষ্কৃতীরা ভিতরে ঢোকে। দুষ্কৃতীরা এসে সামনে লাগানো সিসিটিভি বন্ধ করে স্ট্রং–রুমের ভিতরে ঢুকে পড়ে। এত সন্ত্রাস ভোট লুঠের পরেও এই সব কাণ্ড করে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে শাসকদল। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ক্যামেরা বন্ধ রাখার অভিযোগ বিরোধীদের।

বিরোধীদের অভিযোগের তির মন্ত্রী মলয় ঘটকের দিকে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আজ, সোমবার চার পুরসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হবে। এই পরিস্থিতিতে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, ‘‌যদি এটা গুজব হয় তাহলে মানুষের মনে যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে তা প্রশাসনের মেটানো উচিত। এক ঘণ্টা ধরে ক্যামেরা বন্ধ ছিল সন্দেহ তো হবেই।’‌

বন্ধ করুন